ডাঃ নাসির উদ্দিন মাহমুদ:  ডিম খেলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে । সকালের নাস্তায় যারা নিয়মিত ডিম খাওয়ার অভ্যাস করেন তারা সাধারণত এ বিশেষ ফায়দাটুকু পেয়ে থাকেন । অনেক উন্নত দেশের সকালের নাস্তায় থাকে – ডিম , দুধ , পাউরুটি ও কমলালেবু । দিবসের প্রথম আহারে ডিম খাওয়া স্বাস্থ্যসম্মত ও শরীরের জন্য নানাভাবে উপকারী । ডিমের কোলিন ( Choline ) মস্তিষ্ককে শাণিত করে । উহা ভিটামিন “বি” জাতীয় একটি রাসায়নিক এবং অনেক সময় ভিটামিন “বি” কমপ্লেক্স এর অন্তর্ভুক্ত হিসেবেই দেখানো হয় । তবে “বি” ভিটামিন দিয়ে কোলিনের অভাব পূরণ করা যায় না । কোলিন মস্তিস্কসহ স্নায়ু তন্ত্রের গঠন, উহার কার্যক্রম পরিচালনা , স্মৃতিশক্তির বিকাশ লাভ উহা সতেজ রাখার জন্য অতি প্রয়োজনীয় একটি উপাদান । পর্যাপ্ত কোলিনের উপস্থিতিতে চিন্তাশক্তি দ্রুত ও গতিশীল হয় , স্নায়ুর পরিবহণ , স্মৃতি ধরে রাখা ও কোন জিনিস দেখে চিনতে পারা সহজ হয় ।

কোলিনে ভরপুর শিশুরা খুব সহজে পড়াশোনা মনে রাখতে পারে এবং ওদের বৃদ্ধ বয়সেও মস্তিষ্কের কার্যক্রম অনেকটা অপরিবর্তনীয় থাকে । তাদের স্মৃতিশক্তিও ততটা ফিকে হয়ে যায় না । গর্ভবতী মায়েদের ডিম ও দুধসহ অন্যান্য খাবারের মাধ্যমে প্রচুর কোলিন গ্রহণ করা উচিত । তাতে গর্ভস্থ শিশুদের মস্তিষ্কের গঠন সুন্দর ও নিখুঁত হয় , মেমোরি শার্প হয় এবং তারা প্রত্যুৎপন্নমতি হয়ে থাকে । শিশুদের কোলিন গ্রহণের আরেকটা সুযোগ হয় মায়ের দুধ পাওয়ার সময় । মায়ের দুধে কোলিনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশী থাকে ।ডিমের কুসুমে প্রচুর পরিমাণ কোলিন থাকে । ডিম ছাড়াও কোলিন পাওয়া যায় – সীমের বীচি , সামুদ্রিক মাছ , যকৃৎ , ফুলকপি , তিসির বীজ , দুধ ও দুগ্ধজাত খাবারে । তবে ডিম খেয়ে আমরা খুব সহজেই এ মহা মূল্যবান কোলিন পেতে পারি । কোলিনকে মেমোরি পিল ও বলা হয়ে থাকে।

ডাঃ নাসির উদ্দিন মাহমুদ

লালমাটিয়া , ঢাকা

E-mail: nasiruddin1544@gmail.com

টি মন্তব্য

মন্তব্য বন্ধ

Note: All are Not copyrighted , Some post are collected from internet. || বিঃদ্রঃ সকল পোস্ট বিনোদন প্লাসের নিজস্ব লেখা নয়। কিছু ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত ।