বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইএনএম অডিটোরিয়ামে মঙ্গলবার সকালে জন্মগত হৃদরোগ বিষয়ক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্ডিওলজি বিভাগের পেডিয়াট্রিক কার্ডিওলজি ইউনিটের উদ্যোগে ‘শিশুদের জন্মগত হৃদরোগ দ্রুত চিহ্নিত করা ও তার চিকিৎসাব্যবস্থাপনা’ বিষয়ক এই বৈজ্ঞানিক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মোঃ শহীদুল্লাহ সিকদার।

কার্ডিওলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মোঃ আবু সিদ্দিকের সভাপতিত্বে সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন শিশু কার্ডিওলজি ইউনিটের অধ্যাপক ডা. মোঃ জাহিদ হোসেন। সেমিনারে বিশেষ বক্তব্য রাখেন ভারতের শিশু হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. শিবাকুমার। প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান বলেন, জাতির জনকের নামে প্রতিষ্ঠিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়কে চিকিৎসা শিক্ষা ও দেশের স্বাস্থ্যসেবায় বিশ্বমানে উন্নীত করার লক্ষ্যে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। কোনো কিছুই জটিল ও অসম্ভব নয়। ১৬ কোটি মানুষের দেশে অনেক শিশু হৃদরোগী রয়েছে। প্রশিক্ষণ, জ্ঞানের আদান-প্রদান, দেশ-বিদেশের সহায়তায় চিকিৎসা বিজ্ঞানের সর্বশেষ প্রযুক্তির সংযোজন ইত্যাদির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিশু কার্ডিওলজি ইউনিটের উন্নয়নে বর্তমান প্রশাসন সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে বলে জানান তিনি।

উল্লেখ্য, দেশের মোট জনসংখ্যার শতকরা ৪৫ ভাগ ১৫ বৎসর বা তার চেয়ে কম বয়সের শিশু। পরিসংখ্যান অনুযায়ী উন্নত বিশ্বে প্রতি এক হাজারে ৬ থেকে ৮ জন শিশু জন্মগত হৃদরোগ নিয়ে জন্ম গ্রহণ করে থাকে। বাংলাদেশে জন্মগত হৃদরোগ হারের সু-নির্দিষ্ট তথ্য জানা নেই। বাস্তব কারণে বাংলাদেশে জন্মগত হৃদরোগের হার উন্নত বিশ্বের তুলনায় অধিক হওয়া স্বাভাবিক। এছাড়া বাংলাদেশে বাতজ্বর ও বাতজ্বরজনিত হৃদরোগেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিশু আক্রান্ত হয়ে থাকে। বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে পূর্ণাঙ্গ শিশু হৃদরোগ ইউনিট কাজ করছে। বর্তমানে পাঁচ শয্যা বিশিষ্ট  এবং দশ শয্যা বিশিষ্ট একটি ওয়ার্ড চালু আছে।

টি মন্তব্য

মন্তব্য বন্ধ

Note: All are Not copyrighted , Some post are collected from internet. || বিঃদ্রঃ সকল পোস্ট বিনোদন প্লাসের নিজস্ব লেখা নয়। কিছু ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত ।