অনলাইন ইওর হেল্‌থ ডেস্কঃ  ডায়বেটিস বংশগত রোগ। এর অর্থ এই নয় যে শুধুমাত্র বংশে এই রোগটি থাকলেই ডায়বেটিসের সম্ভাবনা থাকে। অন্যান্য অনেক কারণেই দেহে সুগারের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। তাই অন্তত বছরে একবার রক্ত পরীক্ষা করানো উচিত সকলের এবং যাদের পরিবারে ডায়বেটিস রোগী আছেন বা ছিলেন তাদের বছরে দুবার রক্ত পরীক্ষা করানো জরুরী। রক্তে সুগারের মাত্রা বেড়ে গেলে নান ধরণের লক্ষণে তা প্রকাশ পায়। অনেকে হয়তো এইসকল ব্যাপার জানেন না বা জানলেও লক্ষ্য করেন না। কিন্তু সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে দেহে কখন সুগার বেড়ে যাচ্ছে তা লক্ষ্য করা অনেক জরুরী।

চলুন জেনে নেয়া যাক দেহে সুগারের মাত্রা বেড়ে গেলে কি কি লক্ষণ দেখা যায়।  ১) ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া। দেহে সুগারের মাত্রা বেড়ে গেলে তা কিডনিতে চাপ ফেলতে থাকে দেহ থেকে সুগার বের করে দেয়ার জন্য। সেকারণেই ঘন ঘন প্রস্রাব পায় বলে জানান বিশেষজ্ঞগণ। ২) অনেক বেশি এবং ঘন ঘন পানির তেষ্টা পাওয়া। যখন দেহ থেকে সুগার বের করে দেয়ার জন্য কিডনিতে চাপ পড়ে তখন অনেক প্রস্রাব পায়। এবং তখন কিডনি দেহের কোষ থেকে ফ্লুইড নিতে থাকে। এতে করে দেহে পানির ঘাটতি হতে থাকে, যার ফলে ঘন ঘন পানির তেষ্টা পায়। ৩) অনেক বেশি দুর্বলতা অনুভব করা। খুব অল্পতেই হাঁপিয়ে উঠা দেহে সুগারের মাত্রা বৃদ্ধির লক্ষণ। সুগারের মাত্রা বেড়ে গেলে দেহে পানির ঘাটতি ঘটে। আর ডিহাইড্রেশনের ফলে দেহ দুর্বল হয়ে পড়ে। ৪) হাতে পায়ে বোধশক্তি না থাকা। হাত ও পায়ের আঙুল বা পুরো হাত অবশ বোধ করা দেহে সুগারের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার অন্যতম প্রধান লক্ষণ। এবং এটি বেশ মারাত্মক পর্যায়ের লক্ষণ। ৫) চোখে ঘোলাটে দেখা। দেহে সুগারের মাত্রা বেড়ে গেলে তার প্রভাব পড়ে দৃষ্টিশক্তির উপর এতে করে চোখে ঘোলাটে দেখার সমস্যা তৈরি হয়। ৬) ডায়েট বা ব্যায়াম না করেই হুট করে অনেক বেশি ওজন কমতে থাকা দেহে সুগারের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ। ৭) দেহের কোথাও কেটে গেলে তা না শুকানো এবং শুকাতে অনেক সময় লাগার ব্যাপারটিও দেহে সুগারের মাত্রা বেড়ে যাওয়া বোঝায়। এইধরনের লক্ষণগুলো দেখা গেলে অবহেলা করা মোটেও উচিত নয়। যতো দ্রুত সম্ভব ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।

টি মন্তব্য

মন্তব্য বন্ধ

Note: All are Not copyrighted , Some post are collected from internet. || বিঃদ্রঃ সকল পোস্ট বিনোদন প্লাসের নিজস্ব লেখা নয়। কিছু ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত ।