অনলাইন ইওর হেল্‌থ ডেস্কঃ সাইনুসাইটিসের সমস্যায় অনেকেই ভোগেন৷আসলে আমাদের নাকের সাইনাসের টিস্যুগুলো যখন কোনও ইনফেকশনে বা অন্য কারণে খুব ফুলে যায়, তখনই হয় সাইনুসাইটিসের সমস্যা৷ কারণ-ঠান্ডা লাগা, অ্যালার্জিক রাইনাইটিস (নাক দিয়ে ক্রমাগত পানি পড়া), নাকের পলিপ, অ্যালার্জি, ভাইরাল-ব্যাক্টেরিয়াল ইনফেকশনে যখনই নাক ও কপালের সাইনাসের ভিতরের অংশগুলো বন্ধ হয়ে যায়, তখনই শুরু হয় সমস্যা৷এছাড়াও নাকের ড্রেনেজ ডাক্টে কোনও সমস্যা থাকলে বা গঠনগত বিকৃতিও অনেকক্ষেত্রে সাইনাসের সমস্যার জন্ম দেয়৷আবার কয়েকটি ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াতেও হতে পারে সাইনুসাইটিস৷ কারণ তা অনেক সময়ই শরীরের রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা কমিয়ে দেয়৷ ফলে দেখা যায় সমস্যা৷ সাইনুসাইটিসের লক্ষণ- মুখে, কপালে ব্যথা বা চাপের অনুভূতি, নাক থেকে ক্রমাগত জল পড়া, কাশি, নাকে কোনও কিছুর গন্ধ না পাওয়া, এগুলিই সাইনুসাইটিসের মূল লক্ষণ৷ সঙ্গে ক্লান্ত লাগা, জ্বর, দাঁতে ব্যথার মতো উপসর্গগুলোও আপনাকে ভোগাতে পারে৷ পরীক্ষা- চিকিৎসক সাধারণত সাইনুসাইটিস হয়েছে কি না, তা বোঝার ক্ষেত্রে ক্লিনিক্যাল এগজামিনেশন দিয়েই শুরু করেন৷ তবে প্রয়োজনে বুকের এক্স রে, ন্যাজাল এন্ডোস্কপি, ব্লাড টেস্ট, মিউকাস কালচারেরও প্রয়োজন পড়তে পারে৷

চিকিৎসা- সাইনুসাইটিস কোন পর্যায়ে রয়েছে, তা অ্যাকিউট না ক্রনিক এগুলি দেখেই করা হয় চিকিৎসা৷প্রথমে বন্ধ নাক খোলার জন্য ন্যাজাল ড্রপ বা স্প্রে দেওয়া হয়৷সঙ্গে সেট্রিজিন বা লিভোসেট্রিজিন গ্রুপের অ্যান্টি অ্যালার্জিক ওষুধ৷ না কমলে তখন অগত্যা অ্যান্টিবায়োটিকের শরণাপন্ন হতে হয়৷ তবে চিকিৎসকের পরামর্শে৷ এছাড়া গরম জলে ভেপার নিলেও ভেতরের কনজেশন বাইরে বেরিয়ে এসে নাক খুলে সাময়িক শান্তি মেলে৷ তবে একবার নিলে হবে না৷ টানা দশ-বারো দিন দুবার করে নিতে হবে৷

সতর্কতা- শীত কালে  খেয়াল রাখবেন৷প্রয়োজনীয় গরমজামা পরুন৷ আর যথাসম্ভব নিজেকে ধুলোবালির হাত থেকে বাঁচিয়ে চলুন৷

টি মন্তব্য

মন্তব্য বন্ধ

Note: All are Not copyrighted , Some post are collected from internet. || বিঃদ্রঃ সকল পোস্ট বিনোদন প্লাসের নিজস্ব লেখা নয়। কিছু ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত ।