অনলাইন ইওর হেল্‌থ ডেস্কঃ প্রচণ্ড গরম পরছে আর এই গরমের সময় সব মানুষই কম বেশি ঘামেন৷ আর এই ঘাম থেকে কারো কারো শরীরে দুর্গন্ধ তৈরি হয়। যেটা আশেপাশের মানুষের জন্য চরম অস্বস্তিকর হয়ে ওঠে৷ তবে শরীরের সুস্থতার জন্য ঘাম অপরিহার্য। ত্বক বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ক্রিস্টিয়ান রাউলিন বলেন, ঘাম একটি গুরুত্বপূর্ণ শারীরিক প্রক্রিয়া৷ অতিরিক্ত গরমের সময় ঘাম শরীরকে ঠাণ্ডা রাখতে সহায়তা করে৷ কখনও কোনো রোগের কারণে যদি ঘামের পরিমাণ কমে যায়, তাহলে অতিরিক্ত গরম থেকে মানুষের হিটস্ট্রোক হতে পারে, যা মৃত্যুও ডেকে আনতে পারে৷ গবেষণায় জানা গেছে, শরীরে থাকা প্রায় ৩০ শতাংশ বর্জ্য ঘামের মাধ্যমে বের হয়ে যায়৷ এভাবে ঘাম রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে থাকে৷ ত্বকে থাকা ব্যাকটেরিয়াও ঘামের মাধ্যমে অপসারিত হয়ে থাকে৷ ফলে চামড়া পরিষ্কার, মসৃণ ও নরম হয়৷ তবে কম ঘাম যেমন ঠিক নয় তেমনি বেশি ঘামাটাও অসুস্থতার লক্ষণ৷ এর ফলে শরীর থেকে অনেক পানি বের হয়ে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে৷ অতিরিক্ত ঘামাকে ‘হাইপারহাইডড্রোসিস’ বলে৷

অনেক কারণে মানুষের হাইপারহাইডড্রোসিস হতে পারে৷ উচ্চ তাপমাত্রা এর মধ্যে একটি৷ এছাড়া অতিরিক্ত মশলাদার খাবার খেলে, শরীরে অতিরিক্ত মেদ জমা হলে, মানসিক চাপ ও ভয়ের জন্যও হাইপারহাইডড্রোসিস হতে পারে বলে জানান বিশেষজ্ঞরা।  ঘামের দুর্গন্ধ এড়াতে ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ করতে পারে এমন ডিওডোরেন্ট ব্যবহার করা যেতে পারে৷ এছাড়া সুতি কাপড়ের পোশাক পরতে পারেন৷ জুতা পরার ক্ষেত্রেও সহজে আলো ও বাতাস চলাচল করতে পারে এমন উপাদান দিয়ে তৈরি জুতা ব্যবহার করা যেতে পারে৷ শরীর থেকে যখন ঘাম বের হয় তখন তাতে কোনো গন্ধ থাকে না৷ শরীরের ঘাম যখন  ত্বকে থাকা ব্যাকটেরিয়ার সংস্পর্শে আসে তখনই গন্ধ তৈরি হয়৷ এছাড়া  খাবার এবং অসুস্থতার কারণেও ঘামে গন্ধ হয়৷

টি মন্তব্য

মন্তব্য বন্ধ

Note: All are Not copyrighted , Some post are collected from internet. || বিঃদ্রঃ সকল পোস্ট বিনোদন প্লাসের নিজস্ব লেখা নয়। কিছু ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত ।