অনলাইন ইওর হেল্‌থ ডেস্কঃ ষড়ঋতুর বাংলাদেশে বসবাসকারী প্রত্যেককেই ঋতুভেদে শরীরের পরিচর্যা  নিতে হয়। এখন চলছে গ্রীষ্মকাল। গ্রীষ্মকালে প্রখর গরমের কারণে আমরা ঠান্ডা জাতীয় খাবার ও পানি পান করে  থাকি। ঠান্ডা পানীয় কোন কিছু খাওয়ার ক্ষেত্রে যদি আমরা একটু সচেতন না হই তাহলে যথেষ্ঠ ভোগান্তি পোহাতে হবে। যেকোন মুহুর্তে অসুস্থ হয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর এই গরমে অধিকাংশ রোগ বালাই পানি বাহিত হয়ে থাকে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সাথে আলোচনা করে জানা যায়, গরমের কারণে রোগাক্রান্ত হওয়াদের মধ্যে অধিকাংশই শিশু। শিশুদের ক্ষেত্রে পিতা মাতারা যথাযথ দায়িত্বশীল ভূমিকা না রেখে আবেগী ভূমিকাটাই বেশী রাখেন। তাই শিশুরা একটু বেশী অসুস্থ হয়ে পড়ে। আর পানির তৃষ্ণা লাগলেই শরবত খেয়ে ফেলবেন না। এতে শরীরের যথেষ্ঠ ক্ষতি হয়।

গরমে করণীয় : চিকিৎসকরা জানান, গরমে তৃষ্ণা পেলেই বেশী বেশী ডাব খাওয়া ভাল। ডাবের পানিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও মিনারেল থাকে ফলে এটি আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ উপকারী। ডাবে ভিটামিন, পটাশিয়াম, ফাইবার, ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ভিটামিন ও খনিজ পদার্থও থাকে। পিপাসামুক্তি, অ্যাসিডিটি, বীর্যবর্ধক এবং মুত্রথলির সমস্যা মেটাতেও এটি ভালো কাজ দেয়। টিউবওয়েলের ফ্রেশ পানি পান করা যেতে পারে। প্রয়োজনে একটি পানির বোতল সঙ্গে রাখুন। এতে  পানি ভরে রাখুন।পানি শেষ হয়ে গেলে আবারোও পানি ভর্তি করে নিন। গ্লুকোজ ও খাবার ওরস্যালাইন খেতে পারেন। এটিও অত্যন্ত নিরাপদ। গরমে শরীর হতে ঘাম নির্গত হওয়াটা খারাপ কিছু নয়। প্রয়োজনে ছাতা ব্যবহার করতে পারেন। গরম অসহনীয় বলে মনে হলে নিরাপদ ছায়া-শীতল জায়গায় বিশ্রাম নিতে পারেন।

গরমে বর্জণীয় : কোন ধরনের ফলের জুস, শরবত, বরফ, অতিমাত্রায় ঠান্ডা পানি, আঁখের জুস, টেস্টি স্যালাইন, অনিরাপদ পানি, প্যাকেটজাত যেকোন ধরনের পানীয় জুস ইত্যাদি খাবেন না। এসবের কোনটিই শরীরের পানিশুন্যতা দুর করতে পারেনা। বরং গরমে এসব পানীয় গুলোকে চিকিৎসকরা বিষ হিসেবে আখ্যা দিয়ে থাকেন। জন্ডিসের জীবানু বহনে উল্লেখিত বিষয়গুলো প্রত্যক্ষ পরোক্ষ ভূমিকা পালন করে। পক্ষান্তরে দেখা যায় হাসপাতালে বা বাড়িতে রোগীর অভিভাবকেরা না বুঝেই মুখরোচক ভেবে টেস্টি স্যালাইন ও বাজারজাত বোতল বা প্যাকেট জুস রোগীদের খাওয়ান। একাজটি বর্জন করতে হবে।

পথচারীদের মধ্যে অনেকেই শরীরের পানিশুন্যতা দুর করবে এই ভেবে যত্রতত্র ফলের জুস খেয়ে থাকেন। এটিও শরীরের জন্য অত্যন্ত বিপদজনক। আর হিটস্ট্রোক থেকে বাঁচতে ধুমপান বর্জনের কোন বিকল্প নেই। কখনোই গরম থেকে এসে শরীর হতে নির্গত ঘামসহ গোসল করতে যাবেন না। ফ্যানের মৃদ্যু বাতাসে শরীর শুকিয়ে নিয়ে তারপর গোসল করবেন। আরোও জীবানু মুক্ত থাকতে নিয়মিত হাতের নখ কেটে ফেলুন।

 

টি মন্তব্য

মন্তব্য বন্ধ

Note: All are Not copyrighted , Some post are collected from internet. || বিঃদ্রঃ সকল পোস্ট বিনোদন প্লাসের নিজস্ব লেখা নয়। কিছু ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত ।