অনলাইন ইওর হেল্‌থ ডেস্কঃ জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গুজ্বর, কালাজ্বর, কলেরা, হিট স্ট্রোকের মতো রোগগুলো ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাবে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে অধিকতর উষ্ণ দিনের সংখ্যা বাড়বে। অন্য দিকে ঠাণ্ডা দিনের পরিমাণ কমে যাবে। ফলে বৃষ্টিপাতের ধরনেও পরিবর্তন আসবে। এর ফলস্বরূপ মওসুমি বৃষ্টির দিন সংখ্যা কমে যাবে, ভারী বর্ষণ হবে এবং বাড়বে অনাবৃষ্টির দিনসংখ্যা। কমে যাবে ফসলের পরিমাণ। পরিবেশের এ ধরনের প্রভাবের সাথে রোগবালাই বেড়ে ওঠার উপযুক্ত পরিবেশও পেয়ে যাবে।

আইসিডিডিআরবির জলবায়ুবিষয়ক গবেষক ড. পিটার কিম স্ট্রিটফিল্ড সম্প্রতি এসব তথ্য দিয়েছেন। তিনি আইসিডিডিআরবির সেন্টার ফর পপুলেশন আরবানাইজেশন অ্যান্ড কাইমেট চেঞ্জের পরিচালক। বাংলাদেশে যে পাঁচটি ডেমোগ্রাফিক অ্যান্ড হেলথ সার্ভে (ডিএইচএস) হয়েছে এর সদস্য ছিলেন তিনি। ড. পিটার কিম বাংলাদেশের ন্যাশনাল ম্যাটার্নাল মর্টালিটি সার্ভের টেকনিক্যাল টাস্কফোর্সের সদস্য। স্বাস্থ্যবিষয়ক বুলেটিন ল্যানচেট কমিশনের উদ্ধৃতি দিয়ে ড. পিটার কিম বলেন, একবিংশ শতাব্দীতে স্বাস্থ্যের প্রতি সবচেয়ে বড় বৈশ্বিক হুমকির নাম হলো জলবায়ু পরিবর্তন। ম্যালেরিয়ায় ২০১৩ সালে সরকারিভাবে ১৩ জনের মৃত্যুর কথা বলা হলে প্রকৃত চিত্রটি হতে পারে পাঁচ হাজার থেকে ১০ হাজার।

তিনি জানান পরজীবীরা সাধারণত ২৪ থেকে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা পছন্দ করে বংশ বৃদ্ধির জন্য (২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পরজীবীদের উৎপাদন দ্বিগুণ হয়ে থাকে)। জলবায়ু পরিবর্তনে বসতভিটা ও কৃষি ভূমি হারানোর কারণে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অভিবাসনের হার বাড়ছে। বিশেষ করে বরিশাল ও খুলনা বিভাগ থেকে অসহায় মানুষগুলো ঢাকার বস্তিতে এসে বাসা বাঁধছে। এ মুহূর্তে বাংলাদেশে এক কোটি মানুষ বস্তিতে বাস করে। আগামী ২০৩০ সালে বস্তিবাসীর সংখ্যা দুই কোটি ৪০ লাখে উন্নীত হবে। এসব জলবায়ু পরিবর্তনে সরাসরি প্রভাবের ফলে ঘটবে। আর এসবের সাথে যোগ হবে ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গুজ্বর, কালাজ্বর, কলেরার প্রাদুর্ভাব।

টি মন্তব্য

মন্তব্য বন্ধ

Note: All are Not copyrighted , Some post are collected from internet. || বিঃদ্রঃ সকল পোস্ট বিনোদন প্লাসের নিজস্ব লেখা নয়। কিছু ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত ।