অনলাইন ইওর হেল্‌থ ডেস্কঃ বাটিশাক গাঢ় সবুজ পাতাজাতীয় সবজি। এক বর্ষজীবী গুল্মজাতীয় গাছ। গাছ দেখতে বাঁধাকপি গাছের মতো, তবে পাতা ছড়িয়ে থাকে, পাতা মসৃণ, নরম, চওড়া বোঁটাযুক্ত, বোঁটার গোড়ার দিক সাদাটে, মোটা শিরা সাদা ও স্পষ্ট, পাতা ফলক গোলাকৃতি। জলবায়ু ও মাটি : শীতপ্রধান অঞ্চল ও শীতকালে ভালো জন্মে, সব ধরনের মাটিতে চাষ করা যায়, তবে দো-অাঁশ থেকে বেলে দো-অাঁশ মাটি ও পলি দো-অাঁশ মাটিতে বাটিশাক ভালো জন্মে।  বাটিশাক সারা বছরই পাওয়া যায়। তবে শীতকালে বেশি উৎপাদন হয়।বাটিশাক এদেশের অবহেলিত শাক।এতে ক্যালসিয়াম,আয়রন ও ভিটামিন‘এ’ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে আছে।ক্যালসিয়ামের পরিমান বাঁধাকপি,ওলকপি,গাজর,মুলাশাক,লাউ,শসা,করলা,কাঁকরোল,বেগুন,পটল,মটরশুটি,বরবটি,চিচিঙ্গা ওঝিঙ্গার চেয়ে বেশি পরিমানে আছে। আয়রনের পরিমান টমেটো চিচিঙ্গা শালগম ও ওলকপির চেয়ে বেশি আছে।ভিটামিন এ এর পরিমান ডাঁটা,শিম,লাউশাক,ফুলকপি,বাধাকপি,ওলকপি,মটরশুটি ও বরবটির চেয়ে বেশি।

প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্যোপযোগী বাটিশাকে জলীয় অংশ ৯০ গ্রাম, আমিষ ১.৫ গ্রাম,শকর্রা ৪.০ গ্রাম,ক্যালসিয়াম ৪০ মিলিগ্রাম,আয়রণ ০.৫ মিলিগ্রাম,ক্যারোটিন ৩০০ মাইক্রোগ্রাম ও ভিটামিন সি ৪০ মিলিগ্রাম।তবে এই পুষ্টিমান বাটিশাকের জাত এবং উৎপাদন স্থানের পরিবতর্নের জন্য কিছুটা তারতম্য হতে পারে।

টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Note: All are Not copyrighted , Some post are collected from internet. || বিঃদ্রঃ সকল পোস্ট বিনোদন প্লাসের নিজস্ব লেখা নয়। কিছু ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত ।