অনলাইন ইওর হেল্‌থ ডেস্কঃ গরমের ফল জামের রয়েছে  অনেক গুণাগুণ । জামের শুধু এর নরম মাংসল অংশটাই নয়, এর বীজটাও কাজে লাগে।  আমরা হয়তো অনেকেই জানি না, জামের বীজ ভীষণ উপকারী। জামের বীজের মধ্যে রয়েছে জাম্বলিন নামক গ্লুকোসাইট। গ্লুকোসাইট স্টার্চকে শর্করাতে রূপান্তরের হাত থেকে বাঁচায়। এতে মধুমেহ নিয়ন্ত্রিত হয়। কাঁচা জামের পেস্ট পেটের জন্য উপকারী। এতে পেটের রোগ সেরে যায়। খিদে কম হলে বা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকলে এই আচার পানির মধ্যে সমপরিমাণে মিশিয়ে সকাল-সন্ধ্যা খাবেন। এতে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হবে। খিদেও বাড়বে।  বর্তমানে কিছু কিছু দেশে জাম দিয়ে বিশেষ ওষুধ তৈরি করা হচ্ছে, যা ব্যবহারে চুল পাকা বন্ধ হবে।  গলার সমস্যার ক্ষেত্রে জাম ফলদায়ক। জাম গাছের ছাল পিষে পেস্ট তৈরি করুন। সেটি পানিতে মিশিয়ে মাউথ ওয়াশ হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। এতে গলা পরিষ্কার হবে, মুখের দুর্গন্ধ দূর হবে, মাঢ়িতে কোনো সমস্যা থাকলে সেটিও কমে যাবে।

১০০ গ্রাম জামে ক্যালরি আছে ৬০, এতে কার্বোহাইড্রেট আছে ১৫.৫৬ গ্রাম, ফ্যাট ০.২৩ গ্রাম, প্রোটিন ০.৭২ গ্রাম। জামে ভিটামিন এর মধ্যে আছে এ, বি, সি এবং মিনারেল এর মধ্যে আছে ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, পটাশিয়াম ও সোডিয়াম। হাত-পা জ্বালায় জামের রস লাগালে চটজলদি কমে যায়। জামের বীজে “জাম্বোলিন” নামে একটি উপাদান আছে যা ডায়বেটিক্স রোগীদের জন্য অত্যন্ত উপকারী। জামের বীচি গুড়ো করে পানিতে মিশিয়ে দিনে ৩/৪ বার ডায়বেটিক্স রোগীকে খাওয়াতে হবে। এটি ডায়বেটিক্স রোগীর সারাক্ষন পিপাসা লাগা ও টয়লেট এ যাওয়াকেও নিয়ন্ত্রন করে। জাম মধু দিয়ে প্রতিদিন সকালে খেলে পাইলস এর রোগীর রক্তপাত বন্ধ হয়।

টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Note: All are Not copyrighted , Some post are collected from internet. || বিঃদ্রঃ সকল পোস্ট বিনোদন প্লাসের নিজস্ব লেখা নয়। কিছু ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত ।