অনলাইন ইওর হেল্‌থ ডেস্কঃ  হিমোগ্লোবিন নিয়ে রক্তে লোহিত কণিকার অন্যতম উপাদান হিমোগ্লোবিন গঠিত। জিনগত ত্রুটির কারণে গ্লোবিন চেইনের গঠনে সমস্যা হলে এই রোগের সৃষ্টি হয়। এতে মারাত্মক রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়। আর রোগীর দু’মাস পর পর দেহে রক্ত পরিবর্তন করে কিছুটা সুস্থ্ থাকা যায়।  গম গাছের পাতার রস খেলে রক্ত পরিবরতন করতে হয় না এবং সুস্থ তাকা যায় বলছেন চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা।সম্প্রতি কলকাতার কয়েকজন চিকিৎসা বিজ্ঞানী গবেষণা করে এটা বের করেছেন।একজন বাংলাদেশী সহ কয়েকজন ভারতীয় থ্যালাসেমিয়া রোগীল ওপর এক বছর পরীক্ষা করে এ তথ্য দিয়েছেন।নেতাজি সুভাষ ক্যান্সার রির্সাচ ইন্সটিটিউট,এনআরএস মেডিকেল কলেজ এন্ড হসপিটাল ও দি সেন্ট্রাল আয়ুর্বেদিক ড্রাগ ল্যাবরেটরির একদল চিকিৎসক এ দাবি করেন।থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত রোগীর রক্তের লোহিত কনিকা দ্রুত নষ্ট হয়।ফলে রোগীকে বাচিঁয়ে রাখার জন্য তার দেহে কিছুদিন পরপরই রক্ত দিতে হয়। চিকিৎসকরা গবেষণা করে দেখেছেন যে, গম গাছ থেকে বিশেষ প্রক্রিয়ায় আহরিত রস লোহিত কণিকার বেঁচে থাকার ক্ষমতা বাড়ায়ে দেয়।থ্যালাসেমিয়া রোগীদের গম গাছের রস খাওয়ালে ঘন ঘন  রক্ত দেওয়ার প্রয়োজন হয় না।

Thalassemia-symptomsএকজন বাংলাদেশী রোগীকে নিয়মিত এই রস খাওয়ানোর কারণে গত ৮ মাসে একবারও রক্ত দেযার প্রয়োজন হয়নি। বতমানে ওই রোগীর দেহে রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ৭.২১ এই মাত্রা বেশ কিছুদিন ধরে স্থিতিশীল ছিল। এই গবেষণা রির্পোট আমেরিকান র্জানাল অব হায়মেটোলজিতে প্রকাশিত হয়েছে। এই চিকিৎসা পদ্ধতিতে রোগীর দেহে রক্ত দেয়ার মত অবস্থা হয়নি, যারা বেশি আক্রান্ত এবং যারা মাঝারি আক্রান্ত তাদের ক্ষেত্রে র্কাযকর হবে। গবেষকরা দেখেছেন,কচি গমগম গাছে অক্সালিক এসিড ও ম্যালিক এসিড থাকে। এদুটি দুটি উপাদান লোহিত কণিকায় আয়রণ সরবরাহ করে।এতে লোহিত কণিকার ক্ষয়রোধ হয়।একজন সুস্থ মানুষের দেহে লোহিত কণিকা ১২০ দিন বাঁচে। মাঝারি আক্রান্ত রোগীর দেহে তা ৫০ দিনের বেশি বাঁচে না।এই রোগীকে গম গাছের রস খাওয়ালে লোহিত কণিকার আয়ু-৩০-৩৫ দিন পযন্ত বেড়ে যায়। এটা অগ্নাশয়ের  আয়রণ নিঃসরণও রোধ করে।বার বার রোগীর দেহে  রক্ত দিলে তার র্হাট,যকৃত ও কিডনিতে আয়রণ জমা হতে থাকে।এটা রোগীর জন্য  ভয়াবহ ক্ষতির কারণ। চিকিৎসক দলের সদস্য ড.অণীশ মুখোপাধ্যায় বলেছেন, গমের চারা গজানোর ৭-৮ দিন পরই চারাগাছ বেটে তার রস খাওয়ালেই মাঝারি মাত্রার রোগীদের সুফল পাবেন।বিষয়টি নিয়ে আরো গবেষণা হচ্ছে।

টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Note: All are Not copyrighted , Some post are collected from internet. || বিঃদ্রঃ সকল পোস্ট বিনোদন প্লাসের নিজস্ব লেখা নয়। কিছু ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত ।