অনলাইন ইওর হেল্‌থ ডেস্কঃ  মানুষের দেহে নতুন এক ধরনের কৃমির সন্ধান পেয়েছেন একদল গবেষকরা। আর এ কৃমির নাম কলিজা  কৃমি।  বিজ্ঞানীদের ধারণা, সারা পৃথিবীতে এই মুহূর্তে ২.৪ মিলিয়ন মানুষ কলিজা কৃমি বা ফেসিওলা দ্বারা আক্রান্ত এবং আরো ১৮০ মিলিয়ন মানুষ আক্রান্ত হবার হুমকিতে আছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, প্রতিবছর সারা পৃথিবীতে ৩.২ বিলিয়ন ইউএস ডলার আর্থিক ক্ষতি সাধিত হয় কলিজা কৃমি বা ফেসিওলার আক্রমণে। পরজীবী এই প্রাণীটির দ্বারা আক্রান্ত হয়ে সরাসরি কেউ মারা যায় না। তবে পরোক্ষভাবে এরা অনেক মৃত্যুর জন্য দায়ী।

 কলিজা কৃমির রোগ সৃষ্টির মারাত্মক ক্ষমতার কারণে খাদ্য পরিপাক থেকে শুরু করে প্রজনন ও উৎপাদন এবং সম্পূর্ন কলিজা নষ্ট করে আক্রান্ত প্রাণীর মৃত্যু ঘটায় অনায়াসে। এই কলিজা কৃমি মধ্যবর্তী পোষক শামুক থেকে অতি সহজে গবাদি পশু, বন্য প্রাণি এবং মানুষে ছড়িয়ে পড়ে। সম্প্রতি, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক কলিজা কৃমির ফেনোটাইপিক (বাহ্যিক বৈশিষ্ট্য) এবং জেনোটাইপিক (জীনগত) বৈশিষ্ট  উৎঘাটন করতে সক্ষম হয়েছেন। গবেষকরা জানান, কলিজা কৃমির সংক্রমণ নিয়ন্ত্রনে বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত কোন সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমি কলিজা কৃমির জিন রহস্য উৎঘাটনে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যথলজি বিভাগের প্রফেসর ড. এমদাদুল হক চৌধুরী তত্ত্বাবধানে ও প্রফেসর ড. মোতাহার হোসেইন মন্ডল এবং প্রফেসর ড. মো. রফিকুল ইসলামের সহযোগিতায় ডা. সৈয়দ আলী আহসান গবেষণা শুরু করেন। গবেষকরা বাংলাদেশের ১৪টি উপজেলা থেকে ২,০০০ এর অধিক কলিজা কৃমি সংগ্রহ করে প্যাথলজি বিভাগের জিন ল্যাবে দীর্ঘ সাড়ে তিন বছর কাজ করেন।

টি মন্তব্য

মন্তব্য বন্ধ

Note: All are Not copyrighted , Some post are collected from internet. || বিঃদ্রঃ সকল পোস্ট বিনোদন প্লাসের নিজস্ব লেখা নয়। কিছু ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত ।