অনলাইন  ইওর হেলথ ডেস্কঃ ওজন বাড়ার সমস্যায় ইদানিং অনেকেই ভুগছেন। অনেক মাথা ঘামানোর পরেও ঠিক কী কারণে ওজনটা বাড়ছে সেটা বুঝতে পারেন না অনেকেই। মাঝে মাঝে কিছু অদ্ভুত কারণে বেড়ে যেতে পারে আপনার ওজন। খাওয়া দাওয়া নিয়ন্ত্রণ করার পরেও এই অদ্ভুত কারণগুলোতে ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না আপনি। জেনে নিন অদ্ভুত সেই কারণগুলো সম্পর্কে যেগুলো আপনার ওজন বাড়ানোর জন্য দায়ী। অতিরিক্ত মানসিক চাপের কারণে ওজনটা বেড়ে যেতে পারে। মানসিক চাপ কমানোর জন্য অনেকেই অ্যান্টি ডিপ্রেশন পিল খেয়ে থাকেন। এই ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ায় আপনার ওজন বেড়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে মানসিক চাপে থাকলে অতিরিক্ত ক্যালরিযুক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা বাড়ে। ফলে ওজনটা বেড়ে যায় অনেকখানি। আপনি যদি জন্ম নিয়ন্ত্রণের জন্য পিল খান কিংবা হরমোনের ভারসাম্য রক্ষার ওষুধ, স্টেরয়েড, উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ, হার্টের ওষুধ, ব্রেস্ট ক্যান্সারের বিভিন্ন ওষুধ খেয়ে থাকেন তাহলে আপনার হঠাৎ করে বেড়ে যাওয়া ওজনের কারণটা হতে পারে ডাক্তারের ভুল প্রেসক্রিপশন। ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার কারণে হঠাৎ করেই আপনার ওজনটা বেড়ে যেতে পারে অনেক। এক্ষেত্রে আপনার সমস্যাগুলো ডাক্তারের সাথে আলাপ করে সমাধান করে নেয়া উচিত। আপনার যদি নিয়মিত কোষ্ঠকাঠিন্য, হজমে সমস্যা হয় তাহলে আপনার ওজন কিছুটা বেড়ে যেতে পারে। এক্ষেত্রে প্রচুর পরিমাণে পানি খাওয়ার অভ্যাস করুন। সেই সঙ্গে উচ্চমাত্রার আঁশযুক্ত খাবারগুলো নিয়মিত খাওয়ার অভ্যাস করুন। এতে হজমের জটিলতা এবং কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পাবেন।

আপনার শরীরে বিশেষ কিছু পুষ্টি উপাদানের অভাবের কারণেও আপনার ওজন বেড়ে যেতে পারে। ভিটামিন ডি, ম্যাগনেসিয়াম ও পটাশিয়ামের অভাব হলে আপনার ক্লান্তি বেড়ে যাবে। ফলে মেটাবলিজম কমে যাবে এবং পরিশ্রম করার ইচ্ছা কমে যাবে। ফলে আপনার ক্যালরি কম পুড়বে এবং ওজন ধীরে ধীরে বাড়তে থাকবে। এনার্জি বাড়ানোর জন্য আপনি বিভিন্ন এনার্জি ড্রিঙ্ক, কোমল পানীয়, কার্বোহাইড্রেটযুক্ত খাবার এবং মিষ্টি খাওয়া শুরু করবেন। ফলে আপনার শরীরের মেদ বাড়তে থাকবে। যে বিষয়টি আমরা কখনই এড়িয়ে যেতে পারবো না তা হলো বয়স বাড়া। আমাদের বয়সকে কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয় আমাদের পক্ষে। বয়স বাড়তে থাকলে মেটাবলিজম কমতে থাকে। ফলে এই সময়ে কম খাওয়া এবং প্রচুর ব্যায়াম করা প্রয়োজন। নাহলে মেদটা বাড়তেই থাকবে।  অনেকেরই কিছুক্ষণ হাঁটলে পা ব্যথা করে কিংবা হাঁটু ব্যথা করে। কারো কারো বাতের সমস্যা থেকে এধরনের ব্যথা হতে পারে। আবার কারো কারো মাসল পেইনও হয়। ফলে ব্যায়ামের অভাবে শরীরে মেদ জমে। এক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে বিকল্প ব্যায়াম নির্বাচন করা উচিত।

টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Note: All are Not copyrighted , Some post are collected from internet. || বিঃদ্রঃ সকল পোস্ট বিনোদন প্লাসের নিজস্ব লেখা নয়। কিছু ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত ।