অনলাইন ইওর হেল্‌থ ডেস্কঃ আগর  একাধারে একটি সুগন্ধি উদ্ভিদ ও ভেষজ গাছ। এটি একটি মাঝারি ধরনের চিরসবুজ বৃক্ষ। উচ্চতা সাধারণত ৬০ থেকে ৮০ ফুট হয়ে থাকে। বাংলাদেশের সিলেট ও চট্টগ্রামে বিক্ষিপ্তভাবে দেখা যায়। এছাড়া গাছের নির্যাস থেকে আগর তেল উৎপন্ন হয়। এই তেল আগরবাতি, আতর, পারফিউম, লোশন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। ভেষজ ওষুধ তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। যা সুগন্ধি বা আতর হিসাবে ব্যবহার করা হয়। এছাড়া মুত্রবর্ধক, কামোদ্দীপক, কোষ্ঠ্য পরিষ্কারক হিসাবে এর ব্যবহার হয়। বিভিন্ন ত্বকের রোগ, ব্রংকাইটিস, হাঁপানী ও বাত রোগে এর ব্যবহার হয়ে থাকে।ব্রংকাইটিস, হাঁপানি সমস্যায় আগরের তেল উপকারী। বাতরোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।

ইংরেজিতে আগরকে Eagle Wood বলে। তবে আগর বিভিন্ন নামে পরিচিত, যেমন- উদ (আরব) গাডরউদ (দক্ষিণ এশিয়া), উদহিন্দ (হারবাল চিকিত্সায় ইউনানির নাম) ও অগুরু (আয়ুর্বেদিক ভাষায়)। উল্লেখ্য যে, বাংলা, আরবী ও ফারসিসহ বিভিন্ন ভাষায় সংমিশ্রণে অপভ্রংশ হয়ে ‘আগর’ নামটির উত্পত্তি হয়েছে। এ পৃথিবীতে গোলাপ ফুলসহ অনেক কিছু দিয়েই আতর তৈরি হয়, তবে ‘আগর-আতর’ সবচেয়ে উত্কৃষ্ট ও অতীব মূল্যবান। উল্লেখ্য যে, আগর-আতরের চাষ কবে শুরু হয়েছে, তার সঠিক ইতিহাস জানা যায়নি। তবে অনেকের ধারণা আগরের কথা পবিত্র হাদিস শরীফে প্রকারান্তরে উল্লেখ্য আছে। যতদূর জানা যায়, তৃতীয় ও চতুর্থ হিজরীতে যথাক্রমে বিখ্যাত পর্যটক ছয়রাফি এবং ইবনেবতুতার পর্যটন কাহিনী এবং সম্রাট জাহাঙ্গীরের শাসনামলে বাংলা ও আসামের কর্তৃত্বাধীন সেনাপতি মির্জা নাথানের স্মৃতি কথা থেকে সুজানগরের আগর আতরের কথা জানা যায়। যদিও অনেকে বলে থাকেন গোলাপ ফুল থেকে প্রথম আতর তৈরি করেছেন সম্রাজ্ঞী নূরজাহান। সাধারণ পূর্ণাঙ্গ একটি আগর গাছ কেটে, তার মধ্যে থেকে বিশেষ ধরনের কালো জাতীয় কাঠ পাওয়া যায়, সেটিই আগর কাঠ।

টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Note: All are Not copyrighted , Some post are collected from internet. || বিঃদ্রঃ সকল পোস্ট বিনোদন প্লাসের নিজস্ব লেখা নয়। কিছু ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত ।