অনলাইন ইওর হেল্‌থ ডেস্কঃ পুষ্পদণ্ড দেখতে হাতির শুঁড়ের মত বলে আমার একে হাতিশুঁড় বলি। হাতিশুঁরের আরো কটি নাম আছে। যেমন- হস্তীশুণ্ডী, মহাশুণ্ডী, ধুসরপত্রিকা। হাতিশুঁর বর্ষজীবি গুল্ম, ১-২ ফুট উঁচু হয় কাণ্ড ফাঁপা ও নরম। এর বেজ্ঞানিক নাম- Heliotropium indicum (Boraginaceae). গাছে ও পাতায় শ্বেতবর্ণের এক ধরেনের লোম আছে। পাতা ডিম্বাকৃতি, খস্‌খসে ও এক ধরনের অপ্রীতিকর গন্ধযুক্ত।

হাতিশুঁরের পুষ্পদণ্ডে কয়েক সারির ছোট ছোট ফুল ফোটে। সাধারণত ৫ পাপড়ীর সাদা-হাল্‌কা বেগুনি রঙের ফুল।সারা বছরই কিছু না কিছু ফুল থাকে। তবে বর্ষার শেষেই প্রচুর প্রস্ফুটন দেখা যায়।  হাতিশুঁর উষ্ণবীর্য, সন্নিপাত জ্বরে উপকারী। হাতিশুঁর গাছে পাইরোলিজিডিন, এলকালয়েড্‌স, ইনডিসিন, হেলিওট্রিন আছে । আর শিকড়ে আছে এসট্রাডিওল।ফলে চোখের রোগে চামড়ার ব্যাধিতে হাতিশুঁরের  পাতার রস ব্যবহার করা হয়। পোকামাকড়ের দংশনে,বাত ও কাটা ঘায়ে হাতিশুঁরের রস উপকারী। হাতিশুঁরের আদি বাসস্থান পশ্চিম ভারতীয় দীপপুঞ্জ। এখন হাতিশুঁর দিন দিন জাপান ও আমেরিকাতে বেশ সুপরিতিত হয়ে উঠছে ।হাতিশুঁরের পাতার গুঁড়ো শস্য খেতের পোকা দমনে বেশ কার্যকর। ভালো করে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, হাতিশুঁরের গাছে বা পাতায়  পোকা-মাকড়ো দেখা যায় না।  হাতিশুঁর সাধারণত রাস্তার ধারে, পরিত্যক্ত ইটখোলায় খেতের ধারে জন্মে থাকে।

টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Note: All are Not copyrighted , Some post are collected from internet. || বিঃদ্রঃ সকল পোস্ট বিনোদন প্লাসের নিজস্ব লেখা নয়। কিছু ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত ।