কৃষিবিদ ফরহাদ আহাম্মেদ:  দেশে বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থযুক্ত ফল, শাকসবজি, খাদ্যশস্য, মাছ, মাংস, ডিম, দুধসহ প্রায় সব খাদ্যে সয়লাব হয়ে গেছে। বিষমুক্ত খাদ্য পাওয়া মুশকিল। ফল, শাকসবজি, খাদ্যশস্য দ্রুত বৃদ্ধি, বড় করা, পরিপক্ক, পাকানো, আকর্ষণীয় করা, সংরক্ষণ, রোগ ও পোকা দমনের জন্য অসাধু ব্যবসায়ী ও কৃষকরা রাসায়নিক পদার্থ, হরমোন ও কীটনাশক দিয়ে থাকে। তবে এসব বিষাক্ত পদার্থ ছাড়াও কৃষি পণ্য উৎপাদন, পাকানো ও সংরক্ষণ করা যায়। বর্তমানে দেশে ৯২টি রাসায়নিক গ্র“পের দুই হাজারের অধিক বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ খাদ্য উৎপাদনে ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রায় সবই বালাইনাশক। বালাইনাশকের ব্যবহার খুব দ্রুত বাড়ছে। ১৯৯৯ সালে দেশে ১৪ হাজার ৩৪০ টন বালাইনাশক ব্যবহার হয়েছে। ২০১০ সালে ৪ গুণ ব্যবহার বেড়ে ৪৫ হাজার ১৭২টন হয়েছে। দেশে বর্তমানে ১৬৯টি দেশি-বিদেশি কোম্পানি বালাইনাশক আমদানি করছে। বালাইনাশক ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিরাট হুমকির মুখে পড়েছে। ভেজাল ও অনঅনুমোদিত কীটনাশক, রাসায়নিক পদার্থ ও হরমোন ব্যবহার করায় আরো ক্ষতি বেশি হচ্ছে। দেশের আজ ১৬ কোটি মানুষই রাসায়নিক বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত। বিষাক্ততা ধীরগতি হওয়ায় দ্রুত বোঝা যায় না। খাদ্য বিষাক্ততার জন্য ১৫/২০ টি দেশ বাংলাদেশ থেকে শাকসবজি আমদানী বন্ধ করে দিয়েছে। বালাইনাশকের প্রভাব ১৫দিন থেকে ৩০ বছর পর্যন্ত স্থায়ী হয়। ফলে দেশে জটিল রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।

ক্ষতিকর দিক: আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনষ্টিটিউটের এক গবেষণায় দেখা গেছে , খাদ্যে কৃত্রিম রাসায়নিক পদার্থের বিষক্রিয়ায় মানবদেহে হৃদপিণ্ড, যকৃত ও কিডনির বিভিন্ন সমস্যা, ক্যান্সার, হাঁপানি, অন্ত্রে ব্যথা, পেটের পীড়া, গর্ভপাত, বন্ধ্যাত্ব, শ্বাসকষ্ট, স্নায়ুর ক্ষতি, ফুসফুসের রোগ, ডায়াবেটিস, প্রজনন ক্ষমতা হ্রাস, মাংসপেশীর সংকোচন, বমি, মুখে লালা আসা, চোখ দিয়ে পানি পড়া, মাথাব্যাথা, চোখের মনি ছোট হওয়া, চোখে ঝাপসা দেখা, দুর্বলতা, তলপেটে ব্যাথা, খিচুঁনি ইত্যাদি রোগ ও লক্ষণ দেখা দেয়। কিডনি ফাউন্ডেশন থেকে জানা যায়, দেশের ১৬ ভাগ রোগ কিডনি রোগে আক্রান্ত এবং রাসায়নিক পদার্থ মিশ্রিত খাদ্য গ্রহনের ফলেই কিডনি রোগ হচ্ছে। প্রতি মাসে ক্যান্সার, কিডনি ও লিভার রোগী দ্বিগুণ হারে বাড়ছে। দীর্ঘদিন বিষাক্ত খাদ্য গ্রহণের ফলে গর্ভবতী মা ও তার পেটের সন্তানও ক্যান্সার, কিডনিসহ মরণব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছে। প্রতিবন্ধী শিশুর জন্ম হচ্ছে। খাদ্যের সাথে বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ গ্রহণের পরে নিঃশেষ না হয়ে দেহের ভেতর দীর্ঘদিন জমা থাকে। ফরে এই বিষক্রিয়া বংশ থেকে বংশে স্থানান্তর হয়।

খাদ্যে মিশ্রিত ৩০০০ রকমের বিষাক্ত পদার্থের মধ্যে কার্বন টেট্টাক্লোরাইডের বিষাক্ত মানুষের লিভার নস্ট করে, ক্লোরোফেনক্সি এসিটেট জাতীয় রাসায়নিক ত্বক-মুখগহবর বা অন্ত্রে প্রদাহ, মাংসপেশী, স্নায়ু এবং মস্তিস্কের ক্ষতি করে। খাদ্যে পেট্টোলিয়াম জাতীয় পদার্থ মিশ্রিত থাকলে ফুসফুসের ক্ষতি, পেটে ব্যথা, বমি, ডায়রিয়া, জ্বর, মাংসপেশীতে ব্যথা বা দুর্বলতা দেখা দেয়। পেন্টাক্লোরোফেনল জাতীয় পদার্থ দ্বারা লিভার, কিডনি ও স্নায়ুতন্ত্রের ক্ষতি করে। এলড্রিন, ক্লোরডেন, ডিডিটি, ডায়েলড্রিন, এনড্রিল, লিনডিন দ্বারা অন্ত্র, মস্তিস্ক, লিভার, শ্বাসতন্ত্র ও কিডনির ক্ষতি করে। অরগানোফসফরাস ও কারবোমেট দ্বারা স্নায়ু, মস্তিস্ক, মাংসপেশী ও শ্বাসতন্ত্রের ক্ষতি হয়। ফেনল ও ক্রোয়েসোট দ্বারা হৃদপিন্ড, মস্তিস্ক, লিভার ও কিডনির ক্ষতি করে। বিভিন্ন খাদ্যের সাথে ইরাইথ্রোসিন নামক কৃত্রিম লাল রঙ গ্রহনে শিশুদের মস্তিস্কের স্বাভাবিক ক্রিয়া ব্যাহত হয়। পনসিফোর আর নামক লাল রঙ গ্রহণে এজমা এবং এসপিরিন সংবেদনশীল রোগীদের সমস্যা হয়। উরামিন, রোভোমিল, সুদান ইত্যাদি ক্যান্সার, কিডনি, প্লীহা ও লিভার সমস্যা করে। লেড ক্রোসেট ব্যবহারে অ্যানিমিয়া, প্যারালাইসিস ও সন্তান নষ্ট হতে পারে। সালফার ডাই অক্সাইড (আপেল, কমলা, মাল্টা ও আঙুরে দেয়া হয়) গ্রহণে পেটে ব্যথা, এজমা, লিভার, কিডনি ও এলার্জিতে সমস্যা হয়্ ফরমালিন (মাছ, দুধ, মাংস, খাদ্য সংরক্ষণে দেয়) গ্রহণে ত্বক ক্যান্সার, প্রসাবের সমস্যা, কিডনি, লিভার ও পেটে সমস্যা হয়। বাই ফিলাইলের কারণে মাথা ঘোরা, বমি ও চোখ-নাকে যন্ত্রনা হয়। প্রোপাইলন গ্লাইকল গ্রহণে স্নায়ুকেন্দ্র ও কিডনিতে সমস্যা হয়। রাসায়নিক পদার্থ মিশ্রিত খাদ্যে নিউরোটকসিন ও মাইকোটকসিন জাতীয় পদার্থ তৈরি হয়। নিউরোটকসিন দেহে প্রবেশের পর স্নায়ুতন্ত্র নষ্ট করে। মাইকোটকসিন মানবদেহে ক্যান্সরসহ জটিল রোগ সৃষ্টি করে। এক কথায়, সকল রাসায়নিক পদার্থ মানব স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

নিম্নলিখিতভাবে খাদ্যের সাথে আমরা বিভিন্ন বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ খাচ্ছি:

গ্যাস লাইটে ব্যবহৃত ইথিলিন তরমুজে দেয়া হয় লাল করার জন্য। এই তরমুজ খেয়ে ডায়রিয়া, বমি ও জ্বর হয়। বেশি খেলে এমনকি মৃত্যু হতে পারে। আম রং ও সংরক্ষণ করতে ইথিনাল জাতীয় ইডিন, কার্বাইড দেয়া হয়। এসব আম খেলে হৃদপিন্ড, যকৃত ও কিডনিতে সমস্যা হয়। কলা ও আনারস গাছে থাকা অবস্থায় গ্রোথ হরমোন-বেফোলান, লিটোসেন, বায়োফল ইত্যাদি দেয়া হয়। বরইয়ের রঙ উজ্জ্বল করার জন্য লিটোসেন দেয়া হয়। কাঁঠাল, লিচু ও আপেল পাকানোর জন্য ইথিলিন গ্যাস দেয়া হয়। বিভিন্ন ফল পাকাতে ইথোফেন হরমোন প্রয়োগ করা হয়। ঋঅঙ অনুযায়ী বিষাক্ততার শ্রেণী অনুসারে ১ম কার্বোফুরান গ্র“প, ২য় ডাইমেথয়েট গ্র“প, ৩য় ক্লোরো পাইরিফস গ্র“প ও ৪র্থ হচ্ছে- ইথোফেন গ্র“প। পেয়ারার রোগ ও পোকা দমনের জন্য রিডোমিল, ডায়থেনএম ৪৫, রুভরাল, টপসিন, রিপর্কড ইত্যাদি বালাইনাশক প্রয়োগ করা হয়। এগুলোর বিষাক্ততা দূর হওয়ার আগেই বাজারজাত করা হয়। কলা পাকাতে ক্যালসিয়াম কার্বাইড, ইথিলিন, কার্বনডাইঅক্সাইড, এসিটিলিন গ্যাস ইথোপেন, ক্লোরোমাইল, ইথারেল, ইত্যাদি প্রয়োগ করা হয়। এসব কলা খেলে বিভিন্ন জটিল রোগ সৃষ্টি হয়।

বিষমুক্ত ফল হচ্ছে- জাম, আমড়া, নারিকেল, কামরাঙা, বাতাবিলেবু, লিচু, আতা, শরিফা, চালতা, লটকন, বেল, কদবেল, তেঁতুল, তাল, ডালিম, জলপাই, জামরুল, আমলকি, বাঙ্গী ইত্যাদি। প্রাকৃতিকভাবে ফল পরিপক্ক, পাকানো ও সংরক্ষণ করা যায়। বাজারে ফলের জুসে ফলের রস নেই আছে শুধু রাসায়নিক পদার্থ।

শাকসবজি রোগ ও পোকা দমনের জন্য বালাইনাশক প্রয়োগ করার অধিকাংশ শাসকসবজিই বিষাক্ত। শাকসবজিতে শতাধিক বালাইনাশক প্রয়োগ করা হয়। এসব বালাইনাশক প্রয়োগের ১৫ থেকে ২১ দিন পর্যন্ত বিষাক্ততা শাকসবজিতে থাকে। কিন্তু দেখা যায় বালাইনাশক প্রয়োগের ২-৩ দিন পরই শাকসবজি সংগ্রহ করে বাজারজাত করে। ফলে বিষাক্ত শাসকসবজি আমরা নিয়মিত খাচ্ছি। আমাদের খাবারের শতকরা ৯৮ ধরনের শাকসবজিতেই বালইনাশক প্রয়োগ করা হয়। এই বালাইনাশক রান্নার সময় তাপে নষ্ট হয় না বরং কোন কোনটি তাপে কার্যকারিতা বেড়ে যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, উচ্চবিষযুক্ত ১২টি কীটনাশকের প্রভাবে গত ৫০ বছরে পুরুষ ও মহিলার সন্তান উৎপাদন ক্ষমতা শতকরা ৪২ ভাগ কমে গেছে। মানবদেহের রক্তে, মাংসপেশীতে ও দুধে কীটনাশক পাওয়া গেছে। কীটনাশকের প্রভাবে বিকলাঙ্গ শিশু জন্ম নিচ্ছে। কিডনি, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, লিভার, পিত্ত, পাকস্থলির রোগের প্রধান কারণ কীটনাশক। টমেটো পাকানো, রঙিন ও সংরক্ষনের জন্য রাইপেন, ইথোপেন, টমটমসহ বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ প্রয়োগ করা হয়।

শাসকসবজি কাটার আগে ও পরে ভালো করে পানিতে পরিস্কার করলে কিছুটা বিষাক্ততা কমে। শাকসবজির পোকা ও রোগ দূর করার জন্য বালাইনাশকের পরিবর্তে আইপিএম পদ্ধতি প্রয়োগ করা যেতে পারে। আইপিএম পদ্ধতির মধ্যে রয়েছে উপকারী পোকা দ্বারা ক্ষতিকর পোকা দমন, বালাই সহনশীল জাতের চাষ, আধুনিক চাষ পদ্ধতি, যান্ত্রিক পদ্ধতি, সেক্সফেরোমেন ফাঁদ, আলোর ফাঁদ, ডিমের গাদা নষ্ট করা, আক্রান্ত ডগা তোলা ইত্যাদি। ফসলের গাছের রোগ দমনের জন্য হোমিওপ্যাথি খুব কার্যকরী। জৈব কীটনাশক স্বাস্থ্য ও পরিবেশসম্মত।

খাদ্যশস্য:  ধান, গম, ভুট্টা, ডাল, ইত্যাদি ফসলের মাঠে ও সংরক্ষণাগারে রোগ ও পোকা দমনের জন্য বালাইনাশক প্রয়োগ করা হয়। ফসলের মাঠে প্রয়োগকৃত বালাইনাশকের বিষাক্ততা খাদ্যশস্যে তেমন থাকে না। কিন্তু গুদামে সংরক্ষনের সময় প্রয়োগকৃত বালাইনাশকের বিষাক্ততা থাকে। নিম, নিশিন্দা, বিষকাটালিসহ বিভিন্ন জৈব পদ্ধতিতেও খাদ্যশস্য সংরক্ষণ করা যায়। ডাল, চাল ও আটায় রং মিশিয়ে, চকচকে করে বাজারজাত করা হচ্ছে। মাষকলাই ভাঙানোর পর রঙ মিশিয়ে মুগ ডাল বানানো হচ্ছে।

মাছ ও মাংস:  মাছ ও মাংস সংরক্ষনের জন্য ফরমালিন দেয়া হয়। ফরমালিনযুক্ত মাছ ও মাংস খেয়ে স্মৃতি শক্তি লোপ পায়, লিভার ও কিডনির রোগ হয় এবং ক্যান্সার হয়। ফরমালিনযুক্ত মাছ ও মাংস কালচে দেখায়। হরমোন দিয়ে গরু মোটাতাজা করা হয়। যার মাংস মানবস্বাস্থ্যর জন্য ক্ষতিকর।

ডিম ও মুরগির মাংস:  ডিম ও মুরগির খাদ্য বিষাক্ত চামড়া শিল্পের বর্জ্য পদার্থ দিয়ে তৈরি করা হয়। চামড়া শিল্পে দুই শতাধিক বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার হয় চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণে। চামড়া শিল্পের বর্জ্য পদার্থের মধ্যে ঐসব বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ থাকে। এই র্বজ্য পদার্থ দিয়ে যে পোল্ট্রি খাদ্য তৈরি হয় সেই খাদ্য খাওয়া মুরগির মাংসে এবং ডিমে বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ পাওয়া যাচ্ছে। এই বিষাক্ত ডিম ও মাংস খেয়ে কিডনি, ক্যান্সার ও লিভারে রোগ হচ্ছে। এন্টিবায়োটিক প্রয়োগ করা হাঁস-মুরগি, গরু, ছাগলের মাংস স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

দুধে ফরমালিন:  ময়লা পানি, রঙ, স্কিম মিল্ক পাউডার, ইত্যাদি মেশানো হচ্ছে। এসব বিষাক্ত দুধ পানে কিডনির নেফরোটক্সিসিটি ও লিভারের হেস্পটোটক্সিমসহ দেহের গুরুত্বর ক্ষতি হচ্ছে।

তেল:  এক ব্যারেল বা ২২৫ লিটার সয়াবিন তেল বা ফার্নেস অয়েলের মধ্যে ৫ থেকে ৭ ফোঁটা এলিল আইসো থায়ো সায়ানাইড মেশালে পুরো ব্যারেল সরিষার তেলের রঙ ও গন্ধ হয়। এই তেল খেলে কিডনি মস্তিস্ক ও স্নায়ু ক্ষতি করে।

গুড় আকর্ষণীয় করার জন্য বিষাক্ত হাইড্রোজ পাউডার মেশানো হয়। অথচ বন ঢেঁড়শের নির্যাশ দিলে স্বাস্থ্যসম্মতভাবে গুড় আকর্ষণীয় করা যায়। মুড়ি ভাজতে ইউরিয়া সার দেয়া হয়। লুডুলস, সেমাই, বিস্কুট ইত্যাদি মচমচে করতে কাপড়ে দেয়ার রঙ ব্যবহার হয়। পচা ডিম দিয়ে বেকারিতে কেক ও বিস্কুট তৈরি হচ্ছে। গাড়ির পোড়া মবিল দিয়ে চানাচুর ভাজা হচ্ছে। ফাস্টফুডের অধিকাংশ খাদ্যই বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে তৈরি।

বিষমুক্ত ফল ও সবজি উৎপাদন লাভ বেশি: টাঙ্গাইলের মধুপুর ও ধনবাড়িতে হরমোন ও বালাইনাশক ছাড়া জৈব পদ্ধতিতে কলা ও আনারস চাষ করে কৃষকরা লাভবান হচ্ছে। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ডানিডা ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে বিষমুক্ত ফল উৎপাদন খুব জনপ্রিয় হয়েছে। এখানকার কৃষকরা কলা ও আনারস চাষে এখন হরমোন ও রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করে না।

করণীয়: বিষমুক্ত খাদ্য উৎপাদনের জন্য কৃষি মন্ত্রণালয়ের সকল গবেষণা ও সম্প্রসারণ প্রতিষ্ঠান, প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসনকে উদ্যোগ নিতে হবে। এর কুফল সম্পর্কে গণমাধ্যমে প্রচার করা, সভাসমাবেশ করে জনসচেতনতা সৃষ্টিকরা, কীটনাশকের আমদানি কমানো, চোরাপথে আসা বন্ধ করা, মোবাইল কোর্ট বসানো, আইন বাস্তবায়ন করাসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নিতে হবে।

কৃষিবিদ ফরহাদ আহাম্মেদ

কৃষি প্রাবন্ধিক ও কলেজ শিক্ষক

সহকারী অধ্যাপক, কৃষি শিক্ষা

শহীদ জিয়া মহিলা কলেজ, ভূঞাপুর, টাঙ্গাই

টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Note: All are Not copyrighted , Some post are collected from internet. || বিঃদ্রঃ সকল পোস্ট বিনোদন প্লাসের নিজস্ব লেখা নয়। কিছু ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত ।