অনলাইন ইওর হেল্‌থ ডেস্কঃ নবজাতক শিশু মৃত্যুর একটি অন্যতম কারণ হলো নবজাতকের সংক্রমণ। সচেতনতা এবং সাবধানতার অভাবে আমাদের দেশে অনেক নবজাতকই জন্মের পর মৃত্যুবরণ করে। তাই নবজাতকের সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা এবং সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।

নবজাতকের সংক্রমণ কি: নবজাতকের সংক্রমণ হলো ৯০ দিনের কম বয়সী শিশুদের রক্তের একটি সংক্রমণ। জন্মের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে এর প্রাথমিক সংক্রমণ দেখা যায়। পরবর্তী সংক্রমণ জন্মের ৮-৮৯ দিনের মধ্যে দেখা যায়। জন্মের সময় বা জন্মের আগে মায়ের কাছ থেকে শিশু এই সংক্রমণ পেয়ে থাকে।

নবজাতকের সংক্রমণ হয়েছে কি করে বুঝবেন 

নবজাতকের সংক্রমণ হলে সাধারণত নিচের লক্ষণগুলো দেখা দেয়: 

  • শরীরের তাপমাত্রা পরিবর্তন

  • শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা

  • ডায়রিয়া

  • নবজাতকের নড়াচড়া কমে যাওয়া

  • বুকের দুধ খাওয়া কমে যাওয়া

  • খিঁচুনী হওয়া (Seizure)

  • পেট ফুলে যাওয়া (Swollen belly area)

  • বমি করা

  • ত্বক এবং চোখের সাদা অংশ হলুদ হয়ে যাওয়া

 কখন ডাক্তার দেখাবেন ঃ সংক্রমণের লক্ষণ ও উপসর্গ দেখা দেয়ার সাথে সাথে শিশুকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে হবে।

কোথায় চিকিৎসা করাবেন

  • উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স 

  • জেলা হাসপাতাল 

  • মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র 

  • মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল 

  • শিশু হাসপাতাল 

  • বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় 

  • বেসরকারী বিশেষায়িত হাসপাতাল

কি ধরণের পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন হতে পারে 

  • রক্তের পরীক্ষা (Blood culture, C-reactive Protein, Complete blood count or CBC)

  • মেরুরজ্জু থেকে রস নিয়ে পরীক্ষা (Cerebrospinal fluid)

  • বুকের এক্স-রে

  • প্রস্রাব পরীক্ষা

কি ধরণের চিকিৎসা আছে 

  • ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী শিশুকে হাসপাতালে চিকিৎসা দিতে হবে

  • চার সপ্তাহের ছোট বয়সী শিশুদের ল্যাব পরীক্ষার ফল আসার পূর্ব পর্যন্ত এ্যান্টিবায়োটিক খাওয়াতে হবে

  • ডাক্তারের পরামর্শ ও নির্দেশনা মেনে চলতে হবে

কিভাবে নবজাতকের সংক্রমণ প্রতিরোধ করা যায় 

  • সংক্রমিত মায়ের সঠিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা

  • যেখানে শিশু জন্ম নিবে সেখানকার পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা

  • জরায়ু থেকে পানি ভাঙ্গার ২৪ ঘন্টার মধ্যে প্রসবের ব্যবস্থা করা

  • ডাক্তার অথবা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ধাত্রী দ্বারা সন্তান প্রসব করানো

সচরাচর জিজ্ঞাসা 

প্রশ্ন. ১. কেন নবজাতকের সংক্রমণ হয় ? 

উত্তর. কয়েক ধরণের জীবাণু যেমন-ইসেরাইকিয়া কোলি (Escherichia coli ), লিস্টেরিযা (Listeria) এবং স্ট্রেপটোককাস (Streptococcus) এর সংক্রমণের ফলে নবজাতকের সংক্রমণ হয়।

প্রশ্ন .২ . কোন শিশুদের নবজাতকের সংক্রমণ হওয়ার ঝুঁকি বেশি রয়েছে ? 

উত্তর. নবজাতকের প্রাথমিক সংক্রমণ হওয়ার ঝুঁকিতে যারা আছে-

  • গর্ভকালীন সময়ে যেসব মা গ্রুপ বি স্ট্রেপটোককাস (Streptococcus) দ্বারা সংক্রমিত হন তাদের

  • নির্ধারিত সময়ের আগে  (Preterm delivery)  জন্ম নেয়া শিশুর

  • যেসব গর্ভবতী মায়েদের জরায়ুর পানি ভাঙ্গার ২৪ ঘন্টার মধ্যে প্রসব সম্পন্ন না করা হয় তাদের

  • যাদের গর্ভফুল ও জরায়ুর ভিতর তরলের সংক্রমণ হয় তাদের (Infection of the placenta tissues and amniotic fluid (Chorioamnionitis)

জন্মের পর সংক্রমণ হওয়ার ক্ষেত্রে যারা ঝুঁকিতে থাকে তারা হলো-

  • যাদের রক্ত শিরায় অনেক দিন যাবৎ নল (Tube) লাগানো থাকে

  • অনেক দিন যাবৎ হাসপাতালে থাকলে

 প্রশ্ন. ৩. নবজাতকের সংক্রমণের ফলে কি ধরণের জটিলতা দেখা দিতে পারে ? 

উত্তর. নবজাতাকের সংক্রমণের ফলে মারাত্মক জটিলতা দেখা দিতে পারে যেমন :

টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Note: All are Not copyrighted , Some post are collected from internet. || বিঃদ্রঃ সকল পোস্ট বিনোদন প্লাসের নিজস্ব লেখা নয়। কিছু ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত ।