অনলাইন ইওর হেল্‌থ ডেস্কঃ ইনফেকশন বা কোনো কারণে চোখের লাইনিং বা আবরণ যদি উত্তেজিত হয় তখন যে অবস্থা হয় তাকে চোখ উঠা বলে। শীতকাল কিংবা ঠান্ডার সময় মৃদু চোখ উঠতে দেখা যায়।

 রোগের লক্ষণ ও উপসর্গ 

  • চোখের চারপাশে হালকা লাল রং হতে পারে।

  • চোখের পাতা ফুলে যায়।

  • চোখ জ্বালাপোড়া  করতে পারে।

  • চোখ থেকে পানি পড়তে পারে।

  • চোখ থেকে ঘন হলুদ অথবা সবুজাভ হলুদ রঙের ময়লা জাতীয় পদার্থ বের হতে পারে।

  • সকালে ঘুম থেকে উঠার পর চোখের দুই পাতা লেগে থাকে।

 নবজাতকের বেলায় যা হতে পারে-

  • নবজাতকের চোখ উঠা একটি বিশেষ বিষয়। ওষুধপত্র দিলেও নবজাতকের চোখ দুই-তিনদিন লাল অথবা ফোলা থাকতে পারে। যদি লালাভ রং এবং ফোলা দীর্ঘসময় ধরে থাকে তখন অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া দরকার।

 চোখ ওঠার কারণ 

  • সংক্রমণ ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া দ্বারা হতে পারে।  

  • তাছাড়া সাধারণত ময়লা, ধূলাবালি দ্বারা অথবা কোনো কেমিক্যালস্ যেমন মেডিসিন, কিংবা সাজসজ্জার সময় প্রদাহ সৃষ্টি হতে পারে। 

 কী করতে হবে 

যেসব কারণে বিশেষত এলার্জিক কোনো বস্তু, কেমিক্যালস কিংবা পরিবেশ দ্বারা চোখ উঠে সেসব বিষয় থেকে দূরে থাকতে হবে। আর যদি আপনার শিশুর চোখ উঠে থাকে সেক্ষেত্রেও-

  • হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে চোখ পরিষ্কার রাখতে হবে এবং চোখের পাতাগুলো খোলা রাখতে হবে।

  • বড় বাচ্চারা চোখে কালো চশমা পরতে পারে।

 কখন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন

  • যখন আপনার শিশুর চোখ থেকে ঘন হলুদ কিংবা সবুজাভ হলুদ রঙের তরল পদার্থ বের হয়।

  • চোখ ব্যথার কথা বলে।

  • প্রচন্ড সূর্যালোকেও চোখ ব্যথা করলে।

  • যখন চোখে একদমই কিছু দেখতে পারে না অথবা পারলেও দেখতে সমস্যা হয়।

  • যখন পরিবেশগত বিষয়ে কিংবা কোনো এলার্জিক বস্তুর জন্য চোখে অসুবিধা অনুভব করে।

  • শিশুর বয়স যদি ২ মাসের কম হয়।

  • চোখের পাতা যদি ফুলে উঠে কিংবা লাল হয়ে যায়।

 কী করা উচিত নয় 

  • কোনো রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের অনুমতি ছাড়া ওষুধ ব্যবহার করা যাবে না।

  • শিশুকে জোর করে চোখ খুলতে বলা যাবে না।

 সেবাদান কেন্দ্র 

  • উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

  • জেলা হাসপাতাল

  • মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

  • বিশেষায়িত সরকারী/বেসরকারী হাসপাতাল।

 জটিলতাঃ কর্নিয়ায় ঘা,কর্নিয়া ছিদ্র হয়ে চোখ অন্ধ হয়ে যেতে পারে।

 প্রতিকার 

  • বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই চোখ উঠা বা কনজাংটিভাইটিস পরিবারের একজনের থেকে অন্যজনের হতে পারে। সুতরাং এসব ক্ষেত্রে রোগ প্রতিরোধের জন্য পরিবারের সবার পৃথক কাপড়, তোয়ালে থাকতে হবে। 

  • পুরো হাত ভালোমতো পরিষ্কার করতে হবে। 

  • যেসব বিষয় শিশুর জন্য এলার্জিক তা থেকে শিশুকে দূরে রাখতে হবে। 

প্রশ্ন.১.শিশুর চোখ উঠলে কি করতে হবে?

উত্তর. হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে চোখ পরিষ্কার রাখতে হবে এবং চোখের পাতাগুলো খোলা রাখতে হবে। বড় বাচ্চারা চোখে কালো চশমা পরতে পারে।

 প্রশ্ন.২.চোখ উঠলে কি করা উচিৎ নয়? 

উত্তর

  • কোনো রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের অনুমতি ছাড়া ওষুধ ব্যবহার করা যাবে না।

  • শিশুকে জোর করে চোখ খুলতে বলা যাবে না।

প্রশ্ন.৩.চোখ উঠা থেকে কি ধরনের জটিলতা দেখা দিতে পারে? 

উত্তর.কর্নিয়ায় ঘা,কর্নিয়া ছিদ্র হয়ে চোখ অন্ধ হয়ে যেতে পারে।

 প্রশ্ন.৪.চোখ উঠার প্রতিকার কি? 

উত্তর.

  • বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই চোখ উঠা বা কনজাংটিভাইটিস পরিবারের একজনের থেকে অন্যজনের হতে পারে। সুতরাং এসব ক্ষেত্রে রোগ প্রতিরোধের জন্য পরিবারের সবার পৃথক কাপড়, তোয়ালে থাকতে হবে। 

  • পুরো হাত ভালোমতো পরিষ্কার করতে হবে। 

  • যেসব বিষয় শিশুর জন্য এলার্জিক তা থেকে শিশুকে দূরে রাখতে হবে।

   সূত্র  প্রাথমিক চক্ষু পরিচর্যা প্রশিক্ষণ মডিউল,  ন্যাশনাল আই কেয়ার, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয়

টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Note: All are Not copyrighted , Some post are collected from internet. || বিঃদ্রঃ সকল পোস্ট বিনোদন প্লাসের নিজস্ব লেখা নয়। কিছু ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত ।