অনলাইন ইওর হেল্‌থ ডেস্কঃ যারা লাল মাংস খান  তাদের হৃদরোগে মৃত্যু ঝুঁকি ১৬ ভাগ বেশী এবং ক্যান্সারে মৃত্যু ঝুঁকি স্বাভাবিকের চেয়ে ১০ ভাগ বেশী। সম্প্রতি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি  বিশেষজ্ঞ ড: ওয়াল্টার উইলেট এক গবেষণা প্রতিবেদনে একথা উল্লেখ করেছেন। এদিকে আমেরিকান ক্যানসার ইন্সটিটিউট ফর রিসার্চ (AICR) ও যুক্তরাজ্য ভিত্তিক ওয়ার্ল্ড ক্যানসার  রিসার্চ ফান্ড (WCRF-UK) -এর বিজ্ঞানীরা বলেছেন, অতিরিক্ত লাল মাংস খেলে শরীরে ক্যানসার হয় । তাইবিজ্ঞানীরা ক্যানসারের ঝুঁকি কমানোর জন্য লাল মাংস খাওয়ার পরিমাণ নির্ধারণ করে দিয়েছন। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ প্রতিদিন ৭০ গ্রাম এবং সপ্তাহে ৫০০ গ্রামের বেশি লাল কিংবা প্রক্রিয়াজাত মাংস খাওয়া স্বাস্থ্যর জন্য মারান্তক ক্ষতিকর।

অন্যদিকে আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটির বিশেষজ্ঞ মিস মার্জি ম্যাককুলাউ লাল মাংস-প্রেমীদের হতাশ না করে সপ্তাহে একদিন পরিমাণ মতো মাংস খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, লাল মাংসে এক ধরনের রঞ্জক পদার্থ থাকে, যা  পাকস্থলীর পরিপাক প্রক্রিয়া কোষের ডিএন-এর ক্ষতি সাধন করে ক্যানসার সৃষ্টি রপ্রাথমিক কাজ শুরু করে। তবে ক্যানসারের ঝুকি কম থাকলেও হৃদরোগ সৃষ্টিতে লাল মাংসের ভূমিকা অনেক বেশী।পুষ্টিবিদ এবং বিজ্ঞানীরা বলেন, লালমাংসে প্রচুর স্যাচুরেটেড (সম্পৃক্ত) ফ্যাট বা চর্বি রয়েছে যা রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল এলডিএল ( LDL) বা লো-ডেনসিটি লিপোপ্রোটিনকে বাড়িয়ে  রক্তনালিতে চর্বি জমায়, হৃদযন্ত্রের স্বাভাবিক রক্ত চলাচলকে ব্যাহত করে, রক্তচাপ বাড়ায় এবং পরবর্তীতে স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকের আশংকা সৃষ্টি করে। এছাড়া ডায়বেটিস এবং স্থুলতা বাড়াতেও লাল মাংস সাহায্য করে। তাই  যাঁরা স্থূলতা, ডায়াবেটিস, রক্তচাপ বা হূদেরাগে ভুগছেন, তাঁরা অবশ্যই ডাক্তার বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী পরিমিত লাল মাংস খাবেন।  ভাজা, গ্রীল ও অতিরিক্ত তেলের মাংস পরিহার করতে হবে এবং যতটা সম্ভব চর্বি ফেলে দিয়ে অল্প তেল দিয়ে রান্না করতে হবে।

টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Note: All are Not copyrighted , Some post are collected from internet. || বিঃদ্রঃ সকল পোস্ট বিনোদন প্লাসের নিজস্ব লেখা নয়। কিছু ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত ।