অনলাইন ইওর হেল্‌থ ডেস্কঃ সয়াবীন Soybean উদ্ভিদতাত্ত্বিক নাম Glycine max. সয়াবীনে  অসম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিড থাকে বিধায় হৃদরোগ, উচ্চ রক্ত চাপ রোগীদের জন্য  বিশেষ উপকারী। সয়াবিন ডাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাছাড়া পিয়াজু, বড়া, দুধ, চাপাতি, পরটা, পাউরুটি, বিস্কুট, পিঠাসহ আরও অনেক খাবার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। বর্তমানে পোল্ট্রি শিল্পে সয়াবিন ব্যবহৃত  হচ্ছে।সয়াবীন প্রোটিনের ভালো উৎস। আজকাল কেবল সয়াবীন অয়েলই নয়, সয়া মিল্কও জনপ্রিয় খাবার। সয়াবিনে রয়েছে খাদ্য আঁশ, ভিটামিন, মিনারেলস (আয়রণ, ক্যালসিয়াম ফসফরাস, পটাশিয়াম ইত্যাদি) এবং যথেষ্ট পরিমাণে অসম্পৃক্ত ফ্যাট (অত্যাবশ্যকীয় ফ্যাটি এসিড)। যাদের ল্যাকটোজে অ্যালার্জি রয়েছে তারা গরু বা পাউডার দুধের পরিবর্তে সয়া মিল্ক খেতে পারেন, সয়ায় ল্যাকটোজ নেই। রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। হৃদরোগ ও কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজের মাত্রা কমায়। হাড়ের ক্ষয়রোধ করে। নানা ধরনের ক্যান্সার-যেমন ব্রেস্ট ক্যান্সার, প্রোস্টেট ক্যান্সার, কোলন ক্যান্সার ইত্যাদি প্রতিরোধ করে। অতিরিক্ত সয়া খেলে ইস্ট্রোজেনের মাত্রা বাড়ে। সয়া মিল্কে চিনি থাকায় ডায়াবেটিস বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। হরমোনাল সমস্যা হতে পারে; তাই নবজাতক শিশু ও গর্ভবতী মায়র সয়া প্রডাক্ট না খাওয়াই উত্তম।

টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Note: All are Not copyrighted , Some post are collected from internet. || বিঃদ্রঃ সকল পোস্ট বিনোদন প্লাসের নিজস্ব লেখা নয়। কিছু ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত ।