অনলাইন ইওর হেল্‌থ ডেস্কঃ  আকন্দ একটি ঝোপ জাতীয় উদ্ভিদ। এর পাতা ও ডালে রয়েছে নানা ভেষজ গুণ। পেটব্যথায় আকন্দ পাতার সামনের মসৃন অংশ  সরিষার তেল মেখে পাতাটি একটু গরম করে পেটের ওপর সেক দিলে ব্যথা কমবে। আকন্দ গাছের কষ তুলায় ভিজিয়ে দাঁতে লাগালে ব্যথা দূর হয়। আকন্দ গাছের ডালের পোড়া ছাই আধা চা চামচ নিয়ে এক গ্লাস পানিতে গুলে সেই পানি পান করলে অম্বল কমে যাবে। আকন্দ পাতার রস মাথায় স্ক্যাল্পে ব্যবহার করলে খুশকি হয় না। চুল পড়ায় আকন্দের রস ব্যবহার হয়। দাদ ও চুলকানিতে আকন্দ পাতা বেটে ব্যবহার করা হয়।বায়ুনাশক, উদ্দিপক, পাচক, পাকস্থলীর ব্যাথা নিবারক, বিষনাশক, ফোলা নিবারক। প্লীহা, দাদ, শোথ, অর্শ, ক্রিমি ও শ্বাসকষ্টে উপকারী।

শ্বাসকষ্ট দূর করতে ভেষজ ওষুধ বেশ কার্যকর। ১৪টি আকন্দ ফুলের মাঝখানের চৌকো অংশটুকু নিয়ে তার সাথে ২১টি গোলমরিচ একসাথে বেটে ২১টি বড়ি তৈরি করতে হবে। এবার প্রতিদিন সকালে একটি করে বড়ি পানি দিয়ে গিলে খেতে হবে ২১ দিন। এতে শ্বাসকষ্ট থাকবে না। এই ওষুধ খাওয়ার সময় পথ্য হিসেবে এক গ্লাস দুধ খেলে আরো বেশি উপকার পাওয়া যায়। অথবা শ্বাসকষ্টের জন্য আকন্দের মূল দিয়ে তৈরি আরো একটি পথ্য বানিয়ে খাওয়া যেতে পারে। আকন্দের মূল শুকিয়ে গুঁড়ো করে ওই গাছের পাতার আঠা দিয়ে মেখে মেখে বড়ি বানাতে হবে। এই বড়ি প্রতিদিন একটি করে খেলে শ্বাসকষ্ট ভালো হয়ে যায়। এ ছাড়া পাঁচড়া বা একজিমার ক্ষেত্রে আকন্দের আঠার সাথে চার গুণ সরিষার তেল মিশিয়ে গরম করতে হবে। এই গরম তেলের সাথে কাঁচা হলুদের রস মিশিয়ে পাঁচড়ায় লাগালে পাঁচড়া সেরে যায়।

ক্ষতিকর অংশঃ গাছটির বিষাক্ত অংশ হলো পাতা ও গাছের কষ। গাছের পাতা ও কষ গর্ভবতী মায়েদের জন্য, শিশু এমনকি প্রাপ্তবয়স্ক ও বড়দের জন্যও ক্ষতিকর। ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।

টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Note: All are Not copyrighted , Some post are collected from internet. || বিঃদ্রঃ সকল পোস্ট বিনোদন প্লাসের নিজস্ব লেখা নয়। কিছু ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত ।