অনলাইন ইওর হেল্‌থ ডেস্কঃ  অতি পরিচিত ঔষধি গাছ শতমূলী  । বাংলাদেশের অনেক জায়গাতেই এ গাছ জন্মে। ইউনানী, আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক ঔষধি শিল্পে বিভিন্ন ওষুধ তৈরির ক্ষেত্রে শতমূলীর ব্যবহার সর্বাধিক।এক পরিসংখ্যানে জানা যায়, এসব ঔষধি শিল্পে প্রতি বছর প্রায় ২০০ টনের অধিক শতমূলী ব্যবহার হয়। সামান্য যত্ন পরিচর্যার মাধ্যমে এর আবাদ করা গেলে এটি দেশের চাহিদা পূরণ করেও বিদেশে রফতানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব। দেশের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের বনাঞ্চলে ও শালবনে পাওয়া যায়। বিভিন্ন বাগানেও চাষ করা হয়।

শতমূলী লতাজাতীয় উদ্ভিদ। সাধারণত অন্য গাছ বা খুঁটিতে ভর করে আঁকাবাঁকা হয়ে বেড়ে উঠে। এর লতায় বাঁকানো কাঁটা থাকে। শরৎকালে অর্থাৎ সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে এর মূল হয়। মাঘ-ফাল্গুনে ফল পাকে। কাঁচা অবস্থায় ফল সবুজ হয়। পাকলে লাল দেখায়। এই উদ্ভিদের গোড়ায় একগুচ্ছ মূল হয়, এ মূলকে শতমূল বা শতমূলী বলে। অনেকে শোভা বৃদ্ধির জন্য শখ করে বাড়ির সামনে বাগানে ফুল গাছের সাথে শতমূলী গাছ লাগিয়ে থাকেন। সাধারণত উষ্ণ ও নাতিশীতোষ্ণ পরিবেশে শতমূলী গাছ ভালো জন্মে। তবে দো-আঁশ ও বেলে মাটিতে অত্যধিক হয়ে থাকে।

স্নায়ুশক্তি বৃদ্ধি ও শারীরিক দুর্বলতা : শতমূলীর রস (কাঁচা) ১৫-২০ মিলি. (৩-৪ চামচ) ১ গ্লাস পরিমাণ দুধের সাথে মিশিয়ে সকাল ও বিকেলে সেবন করলে উপকার পাওয়া যায়। তবে উল্লিখিত নিয়মে ১০-১৫ দিন সেবন করে যাওয়া উচিত। শুক্রমেহ ও স্বপ্নদোষ প্রশমনে : ১০ গ্রাম পরিমাণ শতমূলী চূর্ণ প্রত্যহ দুধসহ দু’বার সেবন করলে ফল পাওয়া যায়। উল্লিখিত নিয়মে ১ মাস সেবন করে যাওয়া উচিত। স্তন্য দুগ্ধ বৃদ্ধিতে : ৫ গ্রাম পরিমাণ শতমূলী চূর্ণ ও ৫ গ্রাম পরিমাণ অর্শ্বগন্ধ চূর্ণ একত্রে মিশিয়ে প্রত্যহ দু’বার সেবন করতে হবে। উল্লিখিত নিয়মে ৫-৭ দিন সেবন করতে হবে। মূল স্বল্পতায় শতমূলীর রস ১৫-২০ ফোঁটা (৩-৪) চামচ এক গস পরিমাণ ডাবের পানির সাথে মিশিয়ে প্রত্যহ দু’বার সেবন করতে হবে। উল্লিখিত নিয়মে ৫-৭ দিন সেবন করতে হয়। শতমূলী লতানো উদ্ভিদ বিধায় অনেকে বাগানে এবং বাড়ির আঙিনায় শোভা বৃদ্ধির জন্য এ গাছ লাগিয়ে থাকেন।

টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Note: All are Not copyrighted , Some post are collected from internet. || বিঃদ্রঃ সকল পোস্ট বিনোদন প্লাসের নিজস্ব লেখা নয়। কিছু ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত ।