অনলাইন ইওর হেল্‌থ ডেস্কঃ  বেদানা শরীর ঝাড়–দারের কাজ করে । এতদিন তালিকায় ১ম সারিতে যেসব ফল ছিল, সেসব  ফলকে পিছনে ফেলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট  হিসাবে তালিকায় এক নম্বরে উঠে  এসেছে বেদনা । পানির পাইপে পাইপে কাঁদা জমতে যেমন পানি পরিবহণের রাস্তা ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে যায়, তেমনি হৃদপি- পিণ্ডে রক্ত পৌঁছানো এবং বের করে যে নলিগুরৈা আছে সেগুলোর প্রাচীরে সংবহনকারী নলিগুলো সষ্কুচিত হয়ে যায়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে একেবারে বন্ধ হয়ে যায়। রক্তবহনকারী নলিগুলোর প্রাচীরে পুরু হয়ে জমতে থাকা খারাপ কোলেস্টেরাল তথা যাবতীয় আবর্জনাকে সাফসুতরো করার কাজটি করে বেদানা তথা ডালিমের রসে থাকা অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ।

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে গবেষনা হয়েছে, জার্নাল অব ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনে বেরিয়েছে , একদল গবেষক দেখলেন, গলার কাছে রক্তবহনকারী নলিগুলোর প্রাচীরে আবর্জনা জমতে জমতে এমন হয়েছে যে রক্ত চলাচলের পথ ৭০-৯০ শতাংশ সষ্কচিত হয়ে গেছে। ফলে মস্তিষ্কে রক্ত ঠিকঠাক পৌছাচ্ছে না। এ রবম য়াঁদের সিভিয়া ক্যারেটিভ আর্টারি ব্লকেজ হয়েছিল ত৭াদের অধেককে প্রতিদিন বড় আকারের এক-চতুর্থাংশে চেয়ে একটু কম পরিমাণে বেদানার রস খেতে বলা হয় । পরামর্শ দেয়া হল আপাতত বছর চালিয়ে যান । ৩ মাসের মাথায় গিয়ে দেকা গেল, চলাচলের নলিতে আবর্জনা পুরু প্রাচীরের মেদ ১৩ শতাংশ ঝরে গেছে। ৯ মাসের দেখা গেল ২৬ শতাংশ কমে গেছে । এক বছরের মাথায় এসব আবর্জনার পরিমাণ ৩৫ শতাংশ হ্রাস পায়। প্রমাণ হল, রক্তবহনের নলিপথে আবর্জনা দূর করে দেয়ার ঔষধ রয়েছে পলিগ্রেনেট-এ, মানে বেদানায় যাঁরা এ সময়ে বেদানার রস খাননি,তাঁদের এ সমস্ত ধমনি গাত্রে আবর্জনার প্রাচীন নানা ধরনে ঔষধ খাবার পর এক বছরের মাথায় গিয়ে আরো ৯ শতাংশ পুরু হয়েছে। কোনো কোনোটিতে লকআউটই হয়ে গেছে । সে আবিষ্কারের পর দোকানে কৌটায় কৌটায় বেদানার রস হাজির হয়ে গেল্ নামকরণ হল-পম- ওয়ান্ডারফুল।

আমেরিকার সব ন্যাচারাল ফুড সেন্টারে থরে থরে থাকে বেদানার রস । আমাদের দেশে যেভাবে হৃদরোগ,সেট্রাকে আক্রমণের হার বেড়ে চলেছে তাতে ঢালাও ভাবে বেদানার রস বাজারজাত করার প্রস্তুুতি চলছে। কারণ, বেদানার মধ্যে আন্টিআর্টারি ও সক্লোটিক উপাদান অর্থাৎ অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট পলিফেনল রয়েছে তা তো জানা হয়ে গিয়েছে। তবে বেদানার রস কতটা খাবেন, আাপনার রক্তের উচ্চচাপ কত, গর্ভবতী  হলে কতটা খাবেন,স্তনধাত্রী হলে কতটা খাবেন বা আদৌ খাবেন কি না তা আপনার শারীরিক অবস্থা বুঝে চিকিৎসক পরামর্শ দিবেন। ডায়ারিয়া তথা আন্ত্রিকের সময় বেদানা খাবেন না। বেদানার বীজ বেশি বা প্রচুর পরিমাণে খাবেন না । বেদানা খেলে কারো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হয় । শ্বাসকষ্ট হলে খাবেন না । বেদানা খাবার পর যাঁদের বুকে ব্যথা হচ্ছে মনে হবে, তাঁরা বেদানা খাবেন না । তবে এরকম সাধারণত হয়না। এখন সবাই জানেন অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট শরীরে অনেক ধরনের উপকার করে কারণ শরীরের মধ্যে মৌলিক অক্সিজেন অনু তথা ফ্রি-র‌্যাডিক্যাল ীনেক ধরনের ক্ষতিকর কাজকর্ম চালায়। এ র‌্যাডিক্যালের তৎপরতাতেই শরীরে তাড়াতাড়ি বার্ধক্য নেমে আসে, ত্বক সজীবতা হারায়,মানুষ অকালে বুড়ো হয়ে যায়। ফ্রি-র‌্যাডিক্যালের বেদাদপি তথা শরীরের মধ্যে অসাম্যের তৎপরতা বদ্ধের সেরা ঔষধ হল অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ।

 

টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Note: All are Not copyrighted , Some post are collected from internet. || বিঃদ্রঃ সকল পোস্ট বিনোদন প্লাসের নিজস্ব লেখা নয়। কিছু ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত ।