অনলাইন ইওর হেল্‌থ ডেস্কঃ সবেদার আদি নিবাস আমেরিকা, বর্তমানে  প্রায় সমগ্র ক্রান্তীয় অঞ্চলেই এই সবেদার ফলের চাষ হয় । বিশেষ করে ভারত শ্রীলষ্কা, ইন্দোনেশিয়া এবং মালয়েশিয়া প্রচুর সবেদা উৎপন্ন হয়। ইদানিং বাংলাদেশেও সবেদার চাষ হচ্ছে। দেশ ভেদে এই ফলের নাম পাল্টে যায়। যেমন- সবেদাকে কোস্টারিকায় জাপোটে কোলারোডো, উত্তর আমেরিকায় জাপোটে রোজা এবং ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে চিকু নামে ডাকা হয়। মার্মালেড প্লাম নামেও সবেদার যথেষ্ট পটরিচিত রয়েছে । অত্যন্ত সহজপাচ্য এই ফলটিতে ফ্রুকটোজ ও সুক্রোজের মতো সরল কার্বোহাইড্রেট থাকায় চট করে শরীরে শোষিত হয়ে শক্তির জোগান দিতে পারে।  বাদামি রঙের,পুষ্ট প্রতিটি সবেদা ফল দেখতে প্রায় গোলাকার । গড় ব্যাস ১০ সেমি এবং ওজন ১৫০ গ্রাম। বাইরের খোসা দেখে আলুর কথা মনে পড়ে যায়। সুমিষ্ট ও রাসালো এই ফলটিকে সাধারণ খোসা ছাড়িয়ে খাওয়া হয়। ফলের ভিতরটা অত্যন্ত নরম। এ ছাড়া মিল্ক শেক ও আইসক্রিমেও সবেদা খাওয়ার প্রচলন আছে। বেশ কিছু প্রসাধন সামগ্রীতে এই ফলের বীজ থেকে নিষ্কাশিত তেল ব্যবহার করা হয়। ১০০ গ্রাম সবেদা থেকে কিলোক্যালোরি শক্তি পাওয়া যায়। উপাদান হিসেবে এত রয়েছে- ১৯.৯ গাম কার্বোহাইড্রেট, ০.৪০ গ্রাম প্রোটিন, ৫.৩গ্রাম ডায়েটারি ফাইবার, ১২ মিগ্রা সোডিয়াম, ১৯৩ গ্রাম পটামিয়াম, ২১মিগ্রা ক্যালসিয়াম, ০.৮ মিগ্রা আয়রন, ১২ মিগ্রা ম্যাগনোশিয়াম, ০.১ মিগ্রা জিষ্ক। এ ছাড়া এতে রয়েছে ফোলেট,নিয়াসিম,থায়ামিন, রিবোফ্ল্যাভিন, প্যান্টেথিনিক অ্যাসিড, পাইরিডক্সিন, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি ইত্যাদি। সবেদায় থাকা প্রচুর ডায়েটরি ফাইবারের গুণে কনস্টিপেশন দূর করে পায়খানা পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। এই ফলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের একটি চমৎকার উৎস এবং ত্বকের সুরক্ষতেও এর উপকারী ভুমিকা রয়েছে।

টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Note: All are Not copyrighted , Some post are collected from internet. || বিঃদ্রঃ সকল পোস্ট বিনোদন প্লাসের নিজস্ব লেখা নয়। কিছু ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত ।