অনলাইন ইওর হেল্‌থ ডেস্কঃ   সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রচলিত আছে  ‘ক্যানসার মানেই নিশ্চিত মৃত্যু’  কিন্তুু এই আপ্তবাক্য এখন অচল । আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে ক্যানসারের  এক-তৃতীয়াংশ প্রতিরোধযোগ্য; এক-তৃতীয়াংশ নিরাময়যোগ্য। কিছু অভ্যাস ত্যাগ করা যেমন- ধূমপান, মদ্যপান, জর্দা-তামাক, সাদাপাতা- সুপারি খাওয়া, শিল্প-কারখানার কেমিক্যালের সংস্পর্শ ইত্যাদি ত্যাগ। এছাড়া খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন যেমন-চর্বিজাতীয় খাবার কম খাওয়া, শাকসবজি বেশি খাওয়া, মাংস কম খাওয়া, কৃত্রিম রং, প্রিজারভেটিভযুক্ত খাবার ত্যাগ করা এবং কিছু অভ্যাস গড়ে তোলা যেমন- বেশি করে  হাঁটা, নিংমিত ব্যায়ম বা খেলাধুলা এসবের মাধ্যমে ক্যানসার প্রতিরোধ করা যায়  এ ছাড়া ব্রেস্ট ও সারভাইকাল ক্যানসারের জন্য নিয়মিত স্ক্রিনিং এবং লিভার ক্যানসারের ভ্যাক্সিনের মাধ্যমে এসব ক্যানসার থেকে বাঁচা যায়।

ক্যানসার প্রথম দিকে ধরা পড়লে  টেন্টিকুলার টিউমার, হজকিনস ডিজিজ, হাইগ্রেড নন-হজকিন লিস্ফোমা, উইমস টিউমার এএলএল, ইউইংস সারকোমা-সহ কিছু ক্যানসার ও অনেক ক্ষেত্রে নিরাময় সম্ভব। দেরিতে ধরা পড়া ক্যানসারের ক্ষেত্রে পেলিয়েটিভ চিকিৎসা এখন অনেক অগ্রসর হয়েছে । সব ধূমপায়ীর ক্যানসার হয় না । তবে যেসব অভ্যাসের কারণে জীবনঘাতী ক্যান্সার রোগ হয় তার মধ্যে সবার শীর্ঘে ধূমপান। ক্যানসার হৃদরোগ, স্বাসতন্ত্রের রোগ, বার্জার্স ডিজিজসহ বহু রোগের পিছনে ধূমপানের প্রত্যক্ষ ভূমিকা আছে। কিন্তু ধূমপনা ত্যাগ করতে বললে অনেকেই যুক্তি দেখান এই বলে যে, সব ধূমপায়ীর এসব রোগ হয় না । আসলে এটি অজ্ঞতারই ফল। সব ধূমপায়ীর এসব রোগ হয় না এটা ঠিক, কিন্তুু  রেট্রোস্পেকটিকভ গবেষণা বা পেছনের দিকের ইতিহাস নিলে দেখা যায়, ফুসফুস ও গলার ক্রানসার, শ্বাসতন্ত্রের কিছু রোগ বার্জার্স রোগ যাদের হয়েছে তাদের শতকার ৮০ থেকে ১০০ ভাগই ধূমপায়ী ।

টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Note: All are Not copyrighted , Some post are collected from internet. || বিঃদ্রঃ সকল পোস্ট বিনোদন প্লাসের নিজস্ব লেখা নয়। কিছু ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত ।