অনলাইন ইওর হেলথ ডেস্কঃ সম্প্রতি বাংলাদেশে জাতীয় নিউরো সায়েন্স ইনষ্টিউটে জেনেটিক বা বংশগত রোগ সম্পর্কিত এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারের আয়োজন করে বাংলাদেশ সোসাইটি ফর মেডিক্যাল জেনেটিক্স। সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএসএমএমইউ এর ভিসি অধ্যাপক প্রাণ গোপাল দত্ত, জাতীয় অধ্যাপক এম আর খান, অধ্যাপক টি এ চৌধুরী, জেনেটিক সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক ডা. নারায়ন সাহা ও দেশের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগন। উক্ত সেমিনারে আমন্ত্রিত বক্তা হিসাবে  বক্তব্য রাখেন বিশ্বনন্দিত জেনেটিক মেডিসিন বিশেষজ্ঞ স্যার গঙ্গারাম হাসপাতাল ইন্ডিয়ার অধ্যাপক ডাঃ আই সি ভারমা ও ডাঃ  রত্না দুয়াপুরী।

তাদের বক্তব্যে উঠে আসে বাংলাদেশে জেনেটিক মেডিসিন তথা জন্মগত রোগের প্রাদুর্ভাব, কারণ নির্ণয় ও প্রতিকার বিষয়ে বিভিন্ন দিক। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বক্তা বাংলাদেশে জেনেটিক রোগ নির্ণয়ের জন্য বিশেষ ল্যাবরেটরী স্থাপনের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। কারন বাংলাদেশ  জেনেটিক রোগ নির্নয় ও চিকিৎসার দিক থেকে অনেক পিছিয়ে আছে। জেনেটিক রোগের মধ্যে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশী দেখা যায় থ্যালাসেমিয়া। থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত শিশুদেরকে অন্যের রক্ত নিয়ে বেঁচে থাকতে হয়।

অন্যদিকে ডাউন বেবি হিসাবে জন্ম নেয়া শিশুরা সমাজে প্রতিবন্ধী হিসাবে বেঁচে থাকে। অথচ বর্তমান আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে মায়ের গর্ভেই ডিএনএ টেস্ট এর মাধ্যমে শিশুর অনেক জন্মগত রোগ নির্নয় করা সম্ভব। প্রথম বারের মত বাংলাদেশে মায়ের গর্ভে ১১ সপ্তাহে শিশুর ডিএনএ সংগ্রহ ও জন্মগত রোগ নির্ণয়ের পদ্ধতি সম্পর্কে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন স্যার গঙ্গারাম হাসপাতালের সাবেক প্রশিক্ষনার্থী ও বিএসএমএমইউ এর প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ রেজাউল করিম কাজল। তিনি বিগত দুই বছরে মায়ের গর্ভে থাকতেই ২৫০ জন শিশুর ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে থ্যালাসেমিয়া, হিমোফিলিয়া, ডাউন বেবি ইতাদি নির্নয়ের তথ্য উপস্থাপন করেন যা সেমিনারে বিশেষভাবে প্রসংশিত হয়।  জন্মগত রোগে আক্রান্ত শিশু আছে এমন বাবা-মায়েদের জন্য এটি আশার আলো।

টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Note: All are Not copyrighted , Some post are collected from internet. || বিঃদ্রঃ সকল পোস্ট বিনোদন প্লাসের নিজস্ব লেখা নয়। কিছু ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত ।