বাগান থাকবে বাশেঁর বেড়া, তার ভিতরে বিভিন্ন রঙের ফুল, অবসর সময়ে বাগানের পরিচর্যা। কিন্তু আধুনিক শহুরে জীবনে অনেকেরই পূরণ হয়না প্রিয় এই শখটি। তাই বলে তো বাগান করা থেমে থাকতে পারে না। আসুন তবে ঘর সাজায় শোভা বর্ধনকারী ঝুলন্ত ও টবে লাগানো বৃক্ষের সমারহে।

যেমন, ঘরের দরজা বা লিফট এর সামনে রাখা যায় মাঝারি আকৃতির গাছ (মানিপ্লান্ট, ড্রাসিনা), আকটু বড় ধরনের গাছ রাখা যায় বসার ঘরের কর্ণারে (পাতাবাহার, অর্কিড), অপেক্ষাকৃত ছোট গাছ রাখা যায় শোবার ঘরে। লো-হাইট এর টেবিলে ক্যাকটাস, বনসাই। ঘরের কর্ণারে টবে লাগানো গাছ ও বারান্দা সাজানো যায় যেকোন ধরণের গাছ দিয়ে। জানালা ও বারান্দার গ্রীলে ঝুলিয়ে দেয়া যায় ঝুলন গাছ।

এসব গাছ লাগানোর জন্য মাঝারি আকারের নুড়ি পাথর, বালি, চিকচিকা পাথর প্রভৃতি উপযুক্ত । এতে বেশি সময় পানি ধরে রাখতে পারে। শিকড় ও গাছের বৃদ্ধির জন্য পাত্রের নিচে ছিদ্র রাখা খুবই জরুরী।Design-Living-Room-With-Ornamental-Plants

প্রথমে সুন্দর ডিজাইনের নন-মেটালিক কিছু পাত্র বাছাই করে নুড়ি ও বালি দিয়ে ভরাট করতে হবে। এবার তাতে পছন্দমতো গাছ লাগিয়ে গোড়ায় চিকচিকা পাথর দিন। টবের উপরের কোনাগুলো ছিদ্র করে গাছসহ রশি বা তার দিয়ে ঝুলিয়ে দিলেই হয়ে গেল। শিকা কিনে তাতেও ঝুলিয়ে দেয়া যায়।

গাছগুলো এমন ভাবে ঝুলাতে হবে যাতে অনায়াসে পানি দেয়া এবং পরিচর্যা করা যায়। প্রয়োজন অনুযায়ী দিনে ১-২ বার গাছে পানি দিতে হবে। টবের মাটি ভেজা থাকলে পানি না দেয়াই ভাল। মাঝে মাঝে স্প্রেয়ারের সাহায্যে গাছের পাতা ধুয়ে দিলে ভাল হয়। সপ্তাহে একবার গাছগুলো রোদে দিতে হবে। ২-৩ দিন পর পর রোদে দিলে ভাল হয়। গাছের পুষ্টি উপাদান নিশ্চিত করতে তরল সার ব্যবহার করতে পারেন। পছন্দমত গাছ সংগ্রহ করতে আপনাকে যেতে হবে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি নার্সারী বা হর্টিকালচারাল সেন্টারে।

টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Note: All are Not copyrighted , Some post are collected from internet. || বিঃদ্রঃ সকল পোস্ট বিনোদন প্লাসের নিজস্ব লেখা নয়। কিছু ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত ।