ডেস্ক রিপোর্টঃ  নিজেকে শারীরিকভাবে ঠিক রাখার জন্য প্রতিদিন হাঁটার কোন বিকল্প নেই। নিয়মিত হাঁটার অভ্যাস করলে শরীরের বাড়তি মেদ কমে যায়।  তবে প্রতিটি বিষয়েরই যেমন নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম রয়েছ। হাঁটাহাঁটির ক্ষেত্রেও নিয়ম আছে। হাঁটার সময় আপনাকে অবশ্যই মেনে চলতে হবে সুনির্দিষ্ট নিয়মাবলী। এই নিয়মাবলী মেনে চললে একদিন যেমন হাঁটতে ক্লান্তি আসবে না তেমনি অন্যাদিকে হাঁটার ছন্দও থাকবে অটুট। তবে হাঁটতে হবে নিয়ম মেনে। যেমন- * ঘুম থেকে উঠেই হাঁটা দেবেন না । ফ্রেশ হয়ে পানি পান করে রিল্যাক্স মুডে হাঁটুন। * ঘুম থেকে তাড়াতাড়ি ওঠার অভ্যাস করুন্ মর্নিং ওয়াক-এ একা যাবেন না। স্বামী-স্ত্রী এক সঙ্গে হাটুন। দেখবেন দু’জনে এক সাথে হাঁটলে একঘেয়ে লাগবে  না। একজোট হয়ে ক’বন্ধু মিলেও হাটতে পারেন। * প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় দরে হাঁটুন কম করে ৮ সপ্তাহ হাঁটার পর ফল পাবেন। * খুব বেশি কর্মব্যস্ত যারা নিয়ম করে আধা ঘন্টা হাঁটা যাদের কষ্টকর, তার জিমে ৩-৪ বার ১০ মিনিট হাঁটুন। * অফিসে কফি ব্রেকে বা লাঞ্চ ব্রেকে সিটে বসে না থেকে করিডোরেও হাঁটতে পারেন। বাইরে খেতে গেলে গাড়ি একটু দূরে পার্ক করুন। এ সুযোগে কিছু হাঁটা হয়ে যাবে। * প্রতিদিন খাতায় লিখে রাখুন কখন, কার সঙ্গে, কতদূর হাঁটলেন। * প্রতিদিন হাঁটার পর ভাবুন হেঁটে আপনি কতটি ভালো আছেন। আপনার চেহারার কতটা উন্নতি হয়েছে। অনেক সঙ্গী সাথী পাবেন হাঁটার জন্য। * প্রথম ৬ মাস নিয়মিত হাঁটার জন্য নিজেকে পুরস্কৃত করুন। এর জন্য নির্দিষ্ট একটা প্ল্যান করুন। * একদিন হাঁটা সম্ভব না হলে পরের দিন পুসিয়ে নেবার চেষ্টা করুন। অন্তত ১০ মিনিট বেশি হাটুন। * সকাল বেলা সময় না পেলে দিনের যে কোনও সময় হাঁটতে পারেন। * বাড়িতে যতটা সম্ভব হাঁটতে চেষ্টা করুন । হাঁটা শেষ করে টিভি, এসি অন করুন। * হাঁটার সময় রিল্যাক্স থাকুন। পজিটিভ বিষয়ে ভাবুন। অথবা গান গাওয়া, গান শোনা, কবিতা আবৃত্তি করতে পারেন। * প্রতিদিন একই জায়গায় না হেঁটে রাস্তা বদল করুন। ছুটির দিনে স্বাস্থ্যকর স্থানে হাঁটার চেষ্টা করুন। * হাঁটার সময় আইপড বা রেডিও প্লেয়ার নিয়ে হাঁটুন। মন খুশি থাকবে। * আবহাওয়া খারাপ হলে বারান্দায় অথবা ঘেরা ছাদে হাঁটতে পারেন। ফ্ল্যাটে হলে প্রতিটি রুমে একবার করে হাঁটা দিন। * হাঁটতে হাঁটতে হাঁপিয়ে উঠলে সাথে সাথে পানি পান করবেন না। ২-৫ মিনিট রিল্যাক্স করুন। এরপর পানি খান। * ধীরে ধীরে হাঁটার স্পিড বাড়ান। * হাঁটতে গিয়ে শ্বাস নিতে হলে অল্প অল্প বিশ্রাম নিন।* মা-বাব, শ্বাশুড়ির পক্ষে পার্কে যাওয়া সম্ভব না হলে ছাদে হাঁটতে বলুন। হাঁটার জন্য উৎসাহিত করুন।

টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Note: All are Not copyrighted , Some post are collected from internet. || বিঃদ্রঃ সকল পোস্ট বিনোদন প্লাসের নিজস্ব লেখা নয়। কিছু ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত ।