নিজস্ব প্রতিবেদক :  জাতীয় মৎস চাষের ৫৫ শতাংশ আধুনিক মাছ চাষ জরুরি। গত রোববার রাজধানীর রূপসী বাংলা হোটেলে ‘গুড অ্যাকুয়াকালচার প্র্যাকটিস ইন বাংলাদেশ স্ট্যাটাস অব গুড ফুড’ শীর্ষক এ কর্মশালায় বিশেষজ্ঞরা এ তথ্য দেন। বাংলাদেশ ফিশ ফাউন্ডেশন (বিএসএফএফ),মৎস্য অধিদপ্তর এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) যৌথ উদ্যোগে এ কর্মশালার আয়োজন করে। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থি ছিলেন মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. সেলিনা আফরোজ।  বিএসএফএফ-এর চেয়ারম্যান সৈয়দ মাহমুদুল হকের সভাপতিত্বে কর্মশালয় অন্যদের মধ্যে উপস্থি ছিলেন এফওএর কান্ট্রি প্রজেক্ট ম্যানেজার নুরুল ইসলাম, সোলিডারিডেড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. সেলিম রেজা হাসান, জিপসান-এর গবেষক ড. ক্লার নেরড ও মাইকেল জানক। এছাড়া বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুড রপ্তানিকারকদের সভাপতি আমিনউল্লাহ, আমেরিকান কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা ড. শ্যান ডেনিলসন, ইউনিডো বেস্ট এর প্রতিনিধি ড. শেঠি সীতারামসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থি ছিলেন। মৎস খাতের বিশেষজ্ঞরা দেশের চিংড়িসহ মৎস সম্পদের বিকাশে আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য ও আধুনিক চাষ ব্যবস্থাপনা জরুরী। দেশের তৃতীয় বৃহত্তম এ রপ্তানি খাত এগিয়ে গেলেই খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। সম্পদ রড়ায় তৃণমূল পর্যায়ে মৎস চাষ উন্নয়নে উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের কারণে মাছের প্রজাতি বিলুপ্ত হচ্ছে। দেশে হাজারো প্রজাতির মাছ রয়েছে যা রক্ষা উন্নত মাছ চাষ আজ জরুরি। আর তৃণমূল থেকেই তা শুরু করতে হবে। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. সেলিনা আফরোজ বলেন, জিড়িপিতে মৎস্য সম্পদের অবদান ৪ দশমিক ৩৯ শতাংশ। আর এ খাতেই দেশের ১১ শতাংশ মানুষ জীবিকা নির্বাহ করে। এ কারণে এ খাতের উন্নয়নে আরও বেশি গবেষণা দরকার। কর্মশালায় মূল প্রবন্ধে বিএসএফএফ এর নির্বাহী পরিচালক ড. মাহমুদুল করিম বলেন, দেশে প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণে মাছের অবদান শতকারা ৬০ভাগ। একোয়া কালচারের অবদান মোট জাতীয় উৎপাদনের প্রায় ৫৫ শাতাংশ এবং মাট জাতীয় রপ্তানির ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ। মাহমুদুল করিম বলেন, দেশের চিংড়ি চাষীদের নানা সম্মুখীন। দেশের ৮০ শতাংশ চিংড়ি চাষীরা তাদের উৎপাদিত মাছ তাৎক্ষণিকভাবে হিমায়িত করতে পারেনা। আর ৬০শতাংশ চাষী হিমায়িত না করে পরিবহন করে থাকে। গ্রহণযোগ্য ও আধুনিক চাষ পাশাপাশি চাষীদের সরকারী সহায়তা ও প্রশিক্ষণ জরুরী।

সৈয়দ মাহমুদুল হক বলেন, বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে খাদ্য নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করা এখন চ্যালেঞ্জের মধ্যে রয়েছে। সে ক্ষেত্রে খাদ্য নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। আর এ জন্য দরকার জাতীয় উদ্যোগকে সহায়তা করা। তিনি আরও বলেন, দেশে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অধিক খাদ্য উৎপাদন করা দরকার। এজন্য আমাদের উৎপাদন পদ্ধতি স্বাস্থ্যসম্মত এবং পরিবেশ সহায়ক হওয়ার সব চেয়ে বেশি

টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Note: All are Not copyrighted , Some post are collected from internet. || বিঃদ্রঃ সকল পোস্ট বিনোদন প্লাসের নিজস্ব লেখা নয়। কিছু ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত ।