ten_best_herbsহলুদ: এতে রয়েছে শক্তিশালী কারকিউমিন পলিফেনল। দীর্ঘ গবেষণায় দেখা গেছে, কারকিউমিন ক্যানসার সেলের অস্বাভাবিক বিভাজন বা গ্রোথ নিয়ন্ত্রণ করে। কারকিউমিন শরীরে অ্যাপপটোসিস তৈরি করে যা শরীরে ক্যানসারের জন্ম সহায়ক  ক্ষতিকারক কোষগুলিকে মেরে ফেলতে সাহায্য করে। মেলানোমা, ব্রেস্ট ক্যান্সার, ব্রেন টিউমার, প্যানক্রিয়াটিক ক্যানসার এবং লিউকেমিয়ার মতো ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে থাকে হলুদ।

মৌরি: খাওয়ার পরে মুখসুদ্ধি হিসেবে প্রতিটি বাড়িতেই মজুত থাকে মৌরি। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইটো-নিউট্রিয়েন্টস এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ক্যানসার প্রতিরোধে খুবই উপকারী। মৌরিতে রয়েছে অ্যানেটহোল যা ক্যানসার সেলের আক্রমণমূলক কার্যকলাপ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।
জাফরান: জাফরানে ক্রোসেটিন নামে এক ধরণের প্রাকৃতিক ক্যারোটিনয়েড ডাই-কার্বোক্সিলিক অ্যাসিড আছে। এটি ক্যানসারের বৃদ্ধি রোধ করে এবং ক্যানসারাস টিউমারের আকার কমাতেও সাহায্য করে ম্যাজিকের মতো।
জিরা: অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ জিরায় রয়েছে থাইমোকুইনান নামক এক যৌগ যা প্রস্টেট ক্যান্সারের জন্যে দায়ী কোষকে শরীরে ছড়িয়ে পড়া থেকে রোধ করে।
দারুচিনি: দিনে মাত্র এক চা-চামচ দারুচিনি গুঁড়ো আপনাকে ক্যানসারের আক্রমণ থেকে দূরে রাখতে পারে। সকালের চায়ের সঙ্গে খেতে পারেন দারুচিনি। এতে রয়েছে প্রচুর আয়রন ও ক্যালসিয়াম।
অরিগ্যানো: যে কোনও ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে পাওয়া যায় অরিগ্যানো। এতে অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল কম্পাউন্ড আছে। এছাড়াও রয়েছে ফাইটো কেমিক্যাল ও কারসেটিন। এগুলো শরীরে ম্যালিগনেন্ট ক্যানসার কোষ তৈরি হওয়া রোধ করে।
নাগা মরিচ:  লিউকেমিয়ার টিউমার সেলের আকার কম করতে সাহায্য করে নাগা মরিচ। তবে রান্নায় খুব বেশি পরিমাণে নাগা মরিচ না খাওয়াই ভাল।

আদা: আদা খাবারের স্বাদ বাড়ায়। আদা রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানোর পাশাপাশি মেটাবলিজিম বাড়ায় এবং ক্যানসার সেল ধ্বংস করতেও সমান উপযোগী।

টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Note: All are Not copyrighted , Some post are collected from internet. || বিঃদ্রঃ সকল পোস্ট বিনোদন প্লাসের নিজস্ব লেখা নয়। কিছু ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত ।