মননশীল, গভীর পড়ুয়া, সংবেদনশীল পাঠক এবং তীক্ষ্ণ সন্ধানী দৃষ্টি তরুণ সৌকর্য ঘোষালের৷ বয়সে তরুণই বলব৷ এলোপাথাড়ি হলেও লেখালেখি করেন৷ ছবি আঁকেন৷ এবার বানিয়ে ফেললেন আস্ত একটা সিনেমা৷ ছোট নয়, বড় দৈর্ঘের৷ নাম ‘পেন্ডুলাম’৷ pendulam
সৌকর্যের কথায়, “জীবনের একটা টুকরো এই সিনেমা৷ আর্থ-সামাজিক অবস্থায় বিভিন্ন্ শ্রেণীর কিছু মানুষের আশা-স্বপ্ণের দোদুল্যমানতা নিয়েই এই ‘পেন্ডুলাম’৷ একাধিক মানুষের ‘গল্প’ জড়িয়ে রয়েছে৷” সৌকর্য নিজের ছবিকে বিশেষ কোনও ধারায় ফেলতে চান না৷ কিন্তু তাঁর বিশ্বাস, “দর্শক ‘পেন্ডুলাম’ এনজয় করবে৷ আজকের নগর এই ছবির অন্যতম নায়ক৷ সতরাং, নাগরিক মানুষ নিজেকেই দেখতে পাবে এই ছবিতে৷”
সৌকর্যের যেমন এটি প্রথম ছবি, তেমনই প্রযোজক গোপেশ মজুমদারেরও৷ এমনকী গানের জগতে সুপরিচিত নাম মৈনাক (বাম্পি) নাগ চৌধুরিরও এই প্রথম সিনেমায় সুর দেওয়া৷ গান লিখেছেন অনিন্দ্য-চন্দ্রিল জুটির সঙ্গে সৌকর্য নিজেও৷ গান গেয়েছেন অনিন্দ্য তো বটেই, সঙ্গে রয়েছেন সোমলতা, গোর্কি মুখোপাধ্যায়, লগ্নজিতা চক্রবর্তী এবং তুষার৷
অভিনয়ের জন্য একঝাঁক নতুন-পুরনো শিল্পীর এক অনসম্বল বলা যায় ‘পেন্ডুলাম’কে৷ ছবির প্রধান চরিত্রে শুভাশিস মুখোপাধ্যায়৷ অন্যান্য চরিত্রে রয়েছেন রাজেশ শর্মা, রজতাভ দত্ত, শান্তিলাল মুখোপাধ্যায়, সমদর্শী দত্ত, অনসূয়া মজুমদার, প্রদীপ চক্রবর্তী, ডা. কৌশিক ঘোষ, অনিন্দ্য বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাধিকা আপ্তে ও শ্রীলেখা মিত্র৷ সত্যিই অনসম্বল নয় কি!
ক’দিন আগে মুক্তির প্রাক্কালে এক সুন্দর মিলন আসর আয়োজন করেছিল প্রযোজনা সংস্থা কজুম অ্যানালিটিকস৷ ছবির শিল্পীরা  (একমাত্র শ্রীলেখা ও দোয়েল পাখি ব্যতীত) অনুপস্থিত থাকলেও কলাকুশলীরা প্রায় সকলেই উপস্থিত ছিলেন৷ গায়ক-গীতিকার অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায় বলেন, “সৌকর্যকে যতটুকু দেখেছি এবং চিনি, তাতে তাঁর কাছ থেকে একটা সেন্সিবল-এণ্টারটেইনিং ছবিই আশা করছি৷”

টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Note: All are Not copyrighted , Some post are collected from internet. || বিঃদ্রঃ সকল পোস্ট বিনোদন প্লাসের নিজস্ব লেখা নয়। কিছু ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত ।