ওভারি হল শ্রোণীচক্র ও জরায়ুর পাশে অবস্থিত একজোড়া প্রজনন গ্রন্থি৷ ওভারিকে দেখতে অনেকটা আখরোটের মত৷ ওভারির সাহায্যেই মুলত ইস্ট্রোজেন ও প্রজোস্টেরন হরমোন নিঃসৃত হয় এবং এখানেই ডিম্বানু উৎপন্ন হয়৷ এটির সাহাযেই নারী শরীরের গঠন নির্ধারিত হয় এবং শরীরের এই অঙ্গটিই নারীদেহে মাসিক চক্র এবং গর্ভধারন নিয়ন্ত্রণ করে৷ এই ওভারিতেই সিস্ট হতে দেখা যায়৷ সিস্ট মুলত ফ্লুয়িড গঠিত টিউমার যা ওভারির উপর অবস্হান করে৷ তবে কি কারণে এই সিস্ট তৈরি হয় তা কিন্তু এখনও জানা যায়নি৷ovarian
আনহেলদি লাইফ স্টাইলইকেই মুলত প্রাথমিক ভাবে ওয়ারিয়ান সিস্টের জন্য দায়ী করা হয়৷ জাঙ্ক ফুড ও ফাস্ট ফুড প্রচুর পরিমাণে খাওয়া, এক্সারসাইজ একেবারেই না করা, বিভিন্ন ধরণের অ্যাডিকশন, অতিরিক্ত টিভি দেখা ইত্যাদির কারণেই সিস্ট দেখা দিতে পারে৷ বর্তমানে কমবয়সী মেয়েদের মধ্যেও এই রোগ দেখা দিচ্ছে৷
এই রোগের মুল উপসর্গ হল মাসিককালীন ঋতুচক্রের পরিবর্তন৷ এক্ষেত্রে অনেকের একেবারেই পিরিয়ড হয় না, বা দু তিন মাস অন্তর হেভি ব্লিডিং দেখা যায়৷ কারোর ক্ষেত্রে সামান্য পরিমাণে ব্লিডিং হয় বা প্রচুর পরিমাণে ব্লিডিং হয়ে থাকে৷
এই রোগের চিকিৎসার দু ধরণের পদ্ধতি রয়েছে৷ একটি হল মেডিকেল ট্রিটমেন্ট, অপরটি সার্জিক্যাল ট্রিটমেন্ট৷ প্রথম ধাপে সিস্টের চিকিৎসার জন্য ডাক্তারেরা মেডিকেল ট্রিটমেন্টই করে থাকেন৷ প্রথম ১ বছর ওষুধের মাধ্যমে চিকিৎসা করার পরও যদি কোন সুফল না পাওয়া যায় তবে বাধ্য হয়েই সার্জিক্যাল ট্রিটমেন্টের সাহায্য নিতে হতে পারে৷ সার্জিক্যাল ট্রিটমেন্ট কে ডাক্তারি পরিভাষায় ওভারিয়ান ড্রিলিং বলা হয়৷ অস্ত্রোপচারের ক্ষেত্রে তেমন কোন রিস্ক ফ্যাকটার না থাকলেও এটিকে ডাক্তাররা সাধারনত এটি কে একেবারেই গুরুত্ব দেন না৷ কারণ এতে অনেক সময় ওভারি ড্যামেজ হয়ে যাওয়ার একটা আশঙ্কা থেকে যায়৷
সিস্টের চিকিৎসা যদি প্রথম থেকেই শুরু করা না হয় তবে ব্ন্ধ্যাত্ব আসার একটা সম্ভাবনা থাকে৷ এছাড়াও এটি ব্লাড সুগারকেও হাই করে দিতে পারে৷ এখানেই শেষ নয় সিস্ট যদি শরীরে থেকে যায় তবে তা পরবর্তী ক্ষেত্রে এটি ফলে ইউটেরিয়ান ক্যানসারও দেখা দিতে পারে৷

টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Note: All are Not copyrighted , Some post are collected from internet. || বিঃদ্রঃ সকল পোস্ট বিনোদন প্লাসের নিজস্ব লেখা নয়। কিছু ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত ।