ধূমপান ক্যানসারের কারণ……
এই আপ্তবাক্য সকলেরই জানা। মূলত তামাক জাতীয় দ্রব্য পুড়িয়ে তার ধোঁয়া সেবন করাকেই ধূমপান বলে। এদের মধ্যে প্রধান ভুমিকায় জয়েছে সিগারেট। তবে যারা ধূমপান করেন কেবল তাদের ক্ষেত্রে নয়, যারা ধূমপান করেন না অথচ ধোঁয়ার মধ্যে থাকেন তাদের ক্ষেত্রেও এটি সমানভাবে ক্ষতিকর।
শরীরের ভারসাম্যহীন কোষ বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ে অনান্য টিস্যুগুলিকে ক্ষতিগ্রস্থ  করে ক্যানসার কোষ তৈরি করে।  এই ক্যানসার কোষগুলি রক্তের মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে মারণ রোগের সৃষ্টি করে৷ এই রোগ প্রায় ১০০ ধরনের হতে পারে। ধূমপানের কারণে বহুল পরিমানে দেখা যায় ফুসফুসের ক্যানসার। এই ধরনের ক্যানসারে সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম থাকে৷
ধূমপান মূলত দুই ধরণের হয়। এক, প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ।তামাকে মৃত্যু যারা নিজেরা ধূমপান করেন তারা হলেন প্রত্যক্ষ ধুমপেয়ী। পরোক্ষ ধূমপান হল, যারা নিজেরা ধূমপান না করলেও শ্বাসের সঙ্গে সিগারেট বা সিগারের ধোঁয়া গ্রহণ করেন। তামাক জাতীয় দ্রব্যের মধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশ ক্যানসার উৎপাদনকারী কারসিনজেনিক উপাদান থাকে। ধূমপান শরীরে ক্যানসার উৎপাদন করে এবং শরীরকে এই রোগের থেকে লড়তে অক্ষম করে দেয়। এমনকি এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতাও কমিয়ে দেয়। এতে শরীরের ক্যানসার উৎপাদনকারী কোষগুলি উত্তরোত্তর  বাড়তে থাকে। শুধু তাই নয় ধূমপান করলে ডিএনএ কোষগুলিও ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে।
ধূমপান করলে যে ধরনের ক্যানসারগুলি হতে পারে –
১। ল্যারিনেক্স ক্যানসার
২। ইসোফেগাল ক্যানসার
৩। ওরান ক্যানসার
৪। ব্লাডার ক্যানসার
৫। কিডনি ক্যানসার
৬। সারভিক্স ক্যানসার
৭। ব্রেস্ট ক্যানসার
৮। ব্লাড ক্যানসার
৯। লাঙ ক্যানসার
১০। প্যানক্রিইয়াটিক ক্যানসার
১১। কোলোরেক্টাল ক্যানসার
১২। লিভার ক্যানসার
তবে, ধূমপান ত্যাগ করলে এই ধরনের রোগের ঝুঁকি খানিকটা হলেও কমতে পারে। ধূমপান ত্যাগ করার পর অন্তত পাঁচ বছর পর এই ধরনের রোগের সম্ভাবনা অর্ধেক হয়ে যেতে পারে এবং ১০ বছর পর এর সম্ভাবনা আরও কমে যায়। তাই যারা ধুমপান করেন, তারা যদি অকালে প্রাণ হারাতে না চান তবে অবিলম্বে এই মারণ নেশা ত্যাগ করুন।

টি মন্তব্য

মন্তব্য বন্ধ

Note: All are Not copyrighted , Some post are collected from internet. || বিঃদ্রঃ সকল পোস্ট বিনোদন প্লাসের নিজস্ব লেখা নয়। কিছু ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত ।