সৌমিক হালদার, ক্যামেরার চোখ দিয়ে প্রথম আবিষ্কার করলেন বিভূতিভূযণের এই উপন্যাস। দুর্ভাগ্য এ বঙ্গদেশে এই দূরদৃষ্টিসম্পন্ন ক্যামেরাম্যানের কতখানি কদর হবে, এ ছবি তৈরির সত্তর ভাগ ক্রেডিট ওঁর। কী দুর্গম জঙ্গল, কী দুর্লঙ্ঘ্য পাহাড়, কী আলো-আঁধারির গ্রামের কুটীর…কিংবা চাঁদের পাহাড়ের গুহার ভিতরে ছড়িয়ে থাকা হিরের দানা, সব জায়গায় তাঁর তৃতীয় নয়ন অধিকার করে না বসলে এই বিরাট, বিপুল ভান্ডার আমাদের চোখ অবধি এসে পৌঁছত না।1497565_620944961274984_1576953033_n

চিত্রপরিচালকের পূর্ণ স্বাধীনতা আছে উপন্যাস থেকে ছবির প্রয়োজনে পরিবর্তন করার। পথের পাঁচালী উপন্যাস ও সত্যজিতের চলচ্চিত্রায়ণ অনেকটাই আলাদা। কমলেশ্বরও করেছেন। সিংহের সঙ্গে দেবের লড়াইটা একটা দুর্ধর্ষ মাত্রা পেয়েছে। আফ্রিকায় কর্মরত শঙ্কর রাত্রির গভীরে ব্ল্যাক মাম্বার সঙ্গে মৃত্যুর লড়াই লড়ছে একটি টর্চকে সম্বল করে। টর্চের আলোয় সম্মোহিত ফণাধারী সাপ, ভয় পেয়ে পালাচ্ছে। বাংলা ছবির ইতিহাসে এই সিকোয়েন্সটি লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট হিসেবে ধরা যেতে পারে। মনে পড়ে না এমন নিখুঁত এডিটিং। কখনও কখনও ভুলেই যাচ্ছিলাম কোনও বাংলা ছবি দেখছি। এ ছবির নায়িকা আফ্রিকার লাস্যময়তা মনের কোণে ছড়িয়ে যায় বাষ্পের মতো। দর্শককে সম্মোহিত করবেই করবে।

এই পর্যন্ত  কলকাতার মিডিয়াগুলোতে জরিপের প্রকাশিত সর্বশেষ রেটিং সমূহ

এবিপিঃ ৮/১০

এবেলাঃ ৮/১০

তৈঃ ৩.৫/৫

রেডিও মিরচিঃ ৪/৫

ফ্রেন্ডস এফএমঃ ৮/১০

ফিভার এফএমঃ ৮/১০

টি মন্তব্য

মন্তব্য বন্ধ

Note: All are Not copyrighted , Some post are collected from internet. || বিঃদ্রঃ সকল পোস্ট বিনোদন প্লাসের নিজস্ব লেখা নয়। কিছু ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত ।