২০০৬ সালে টেইলর সুইফট তার প্রথম গান “টিম ম্যাকগ্র” প্রকাশ করে, এরপর প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম একক অ্যালবাম টেইলর সুইফট যা রেকর্ডিং ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা কর্তৃক প্লাটিনাম প্রত্যায়ন পায়। ২০০৮ এর নভেম্বরে টেইলর সুইফট তার দ্বিতীয় অ্যালবাম ফিয়ারলেস প্রকাশ করে। ২০০৮ এর শেষে ফিয়ারলেস ও টেইলর সুইফট এর বিক্রয়ের পরিমাণ দাঁড়ায় যথাক্রমে ২.১ এবং ১.৫ মিলিয়ন। ফিয়ারলেস অ্যালবামটি বিলবোর্ড ২০০ চার্টে ১১ সপ্তাহ ধরে (ধারাবাহিকভাবে নয়) শীর্ষস্থান দখল করেছিল, যা কোন অ্যালবাম ২০০০ সালের পর পারেনি। আমেরিকার ফোর্বস ম্যাগাজিনের র‌্যাঙ্কিং-এ সুইফটের অবস্থান ছিল ৬৯তম শক্তিমান তারকা যার আয়ের পরিমাণ ১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০০৯ সালে বিলবোর্ড সুইফটকে বর্ষসেরা শিল্পীর খেতাব প্রদান করে। ফিয়ারলেস ২০১০ সালের বর্ষসেরা অ্যালবাম হিসেবে গ্র্যামি পুরস্কার অর্জন করে।Taylor-Swift

২০০৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত অ্যালবামগুলো সবমিলিয়ে প্রায় ৪০ লক্ষ কপি বিক্রি হয়, যা তাঁকে নিলসেন সাউন্ডস্ক্যানের জরিপ অনুসারে সে বছরে সবচেয়ে বেশি বিক্রিপ্রাপ্ত মার্কিন সঙ্গীতশিল্পীর মর্যাদা দেয়।

তারকাদের জনপ্রিয়তার সাথে তাদের লাইফ স্টাইলেও পরিবর্তন আসে, যেমন পোশাক, গাড়ির ব্র্যান্ড ইত্যাদি। এখানে টেইলর সুইফটের কিছু পোশাক দেওয়া হল যা তিনি ব্যক্তিগতভাবেই পছন্দ করেন। এই তরুণী শিল্পী পোশাকের ব্যাপারে যথেষ্ট সচেতন। সাধারণত তিনি বেশীরভাগ সময় পরিধান হিসেবে ব্যবহার করে থাকেন টাইট জিনস, ক্যাজুয়াল সোয়েটা কখনও শার্ট এবং জুতা অথবা উচু হিলগুলো পরতে পছন্দ করেন তিনি।

টি মন্তব্য

মন্তব্য বন্ধ

Note: All are Not copyrighted , Some post are collected from internet. || বিঃদ্রঃ সকল পোস্ট বিনোদন প্লাসের নিজস্ব লেখা নয়। কিছু ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত ।