রক্ত বা মজ্জা নয়৷ অন্তরাত্মা জমিয়ে দেওয়ার মতো রেকর্ড ঠাণ্ডা পড়েছে পূর্ব আণ্টার্কটিকায়৷ তাপমাত্রা –৯৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস৷

নাসা-র উপগ্রহ তথ্যভাণ্ডার থেকেই স্পষ্ট, এর আগে পৃথিবীর কোনও অঞ্চলের তাপমাত্রাই এর নিচে নামেনি৷ এর আগে ২০১০ সালের আগস্টে অবশ্য এই একই অঙ্ক ছিল তাপমাত্রার৷ এ বছরের জুলাইতেও প্রায় এতটাই নেমে এসেছিল তাপাঙ্ক৷ চিকিত্সকদের অভিমত, এই অস্বাভাবিক ঠাণ্ডায় শ্বাস-প্রশ্বাস চালানো শুধু কষ্টকর নয়, প্রায় অসম্ভব৷ মানুষ এই তাপমাত্রায় বড়জোর না কি মিনিট তিনেক বেঁচে থাকতে পারে৷antarctica-sets-record-low-temperature-of-135-8-degrees
তুষার গবেষক টেড স্ক্যামবস জানিয়েছেন, আলাস্কা বা সাইবেরিয়ায় তাপমাত্রা মাঝেমধ্যেই তরতরিয়ে নেমে আসে ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে৷ উত্তর ডাকোটাতেও এমন ঘটনা না কি হামেশাই হয়৷ এমনকী, গ্রীষ্মকালে মঙ্গলের মেরু অঞ্চলের তাপমাত্রাও প্রায় এতটাই তলানিতে থাকে৷ তবে পৃথিবীর অন্য কোনও অঞ্চলের তাপমাত্রা যে এত নিচে নামতে পারে না, এ ব্যাপারে স্ক্যামবস নিশ্চিত৷ কিন্তু পৃথিবীর বুকে সবচেয়ে কম তাপমাত্রার এই দুর্দান্ত রেকর্ডটি অবশ্য ‘গিনেস বুক’-এ জায়গা পাচ্ছে না৷ কারণটা হল, এই তাপমান মাপা হয়েছে উপগ্রহ মারফত৷ সরাসরি থার্মোমিটারের সাহ্যয্যে মাপা সম্ভব হয়নি৷ এই সব অঞ্চলে গবেষকরা শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়ার বিশেষ ব্যবস্থাযুক্ত জামা পড়ে থাকেন৷ এই জামা সামান্য সময় পর্যন্ত শরীরের তাপমাত্রা ধরে রাখতেও সাহায্য করে৷
এমন তীব্র ঠাণ্ডায় পরিবেশ কেমন থাকে? স্ক্যামবসই জানাচ্ছেন, “বায়ুতে আর্দ্রতা প্রায় থাকে না বললেই চলে৷ অসম্ভব শুকনো একটা আবহাওয়া৷ আকাশ পুরোপুরি নির্মেঘ আর স্বচ্ছ৷” আর অনুভূতি? স্ক্যামবস উত্তর দিয়েছেন এক কথায়, “বর্ণনাতীত৷”

টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Note: All are Not copyrighted , Some post are collected from internet. || বিঃদ্রঃ সকল পোস্ট বিনোদন প্লাসের নিজস্ব লেখা নয়। কিছু ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত ।