ঘুরে ফিরে নানামাত্রার হিসাব কষে সর্বাধিক উজ্জ্বল নারী উপস্থাপকের তালিকায় অনেক দিন ধরেই বেশ ভাল অবস্থানে আছেন সামিয়া আফরিন। টিভি লাইভ শো, রিয়েলিটি শো, ওপেন এয়ার কনসার্ট কিংবা কর্পোরেট শো- সব মাধ্যমেই সমান উজ্জ্বল উপস্থাপনা করে আসছেন তিনি। ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই সচেতনভাবে পা ফেলছেন।

উপস্থাপনার দীর্ঘ ক্যারিয়ারে নাটক-চলচ্চিত্রে অভিনয়ের অফুরন্ত হাতছানি পেলেও সেসবে খুব একটা মন বসাননি তিনি। সামিয়ার ভাষায়, আমি আসলে উপস্থাপনাটাই এনজয় করি। অভিনয় মাঝে মধ্যে একটু আধটু করলেও খুব একটা স্বস্তি পাই না।20120628-afreen-460

বলতে গেলে মনের বিরুদ্ধেই টুকটাক অভিনয় করি। নাটক-সিনেমার প্রতি সম্মান রেখেই বলছি, আমি উপস্থাপনা অনেক অনেক ভালবাসি। সম্ভবত সেই ভালবাসার রেশ ধরে সফলতার সঙ্গে সামিয়া চালিয়ে আসছেন আন্তর্জাতিক রিয়েলিটি শো ‘বাংলাদেশী আইডল’-এর উপস্থাপনা কার্যক্রম। এ অনুষ্ঠানের সহ-উপস্থাপক অভিনেতা হিল্লোল স্টেজে থাকুক আর নাইবা থাকুক, সামিয়ার সাবলীল উপস্থাপনাই যেন অন্যতম আকর্ষণ দর্শক নজরে। সামিয়ার প্রতি প্রশ্ন ছিল রহস্য কি? গেল একযুগে অনেক নারী উপস্থাপকই মাঠ কাঁপালেন। এলেন, কাঁপালেন, হুট করে ফিরে গেলেন। আপনি এখনও আছেন অবিকল। কিভাবে? সামিয়া একটু ভেবে বলেন, আসলে সবই সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছা। তবে সেই সঙ্গে আমার চেষ্টা এবং ভালবাসাকেও গুরুত্ব দিচ্ছি। এই যেমন ধরুন এখন আমি জিমে আছি।

ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে হালকা নাস্তা করার পর প্রতিদিন জিম করার চেষ্টা করি। যে দিন কোন কারণে জিম করতে না পারি সেদিন ফ্রি-হ্যান্ড এক্সারসাইজ করে নিই। সর্বোপরি আমি ফিট থাকার জন্য টানা ১০ বছর ধরে জিম করছি। আমি মনে করি সুস্থ দেহের মানুষই কেবল সুস্থ মনের অধিকারী হতে পারে। সেই সঙ্গে শুদ্ধ স্বর ধরে রাখতে প্র্যাকটিস করি নিয়মিত। চেষ্টা করি যে কাজটাই করি, শতভাগ মন দিয়ে করার। একসঙ্গে অনেক কাজ করতে চাইনি। রাতারাতি তারকা হওয়ার দুঃস্বপ্ন কখনও দেখিনি। এসব কারণেই হয়তো এখনও ভালই আছি। সামিয়া শেষ চার মাস ধরে শুধুই ব্যস্ত আছেন ‘বাংলাদেশী আইডল’ নিয়ে।

১৩ই ডিসেম্বর এর ফাইনাল রাউন্ড অনুষ্ঠিত হবে। ফাইনালের পরেই নতুন করে নতুন পরিকল্পনা নিয়ে ভাববেন। ‘বাংলাদেশী আইডল’ থেকে অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে সামিয়া বলেন, আমি এর আগেও ক্লোজআপ ওয়ান, সুপারহিরো সুপার হিরোইন সহ বেশ কয়েকটি বড় রিয়েলিটি শো উপস্থাপনা করেছি। কিন্তু বাংলাদেশী আইডল উপস্থাপনার অভিজ্ঞতাটা সম্পূর্ণ আলাদা। বিশেষ করে এ শোটি আন্তর্জাতিক মানের হওয়ায় সব বিষয়ের প্রতি অধিকতর সিরিয়াস হতে হচ্ছে। এদিকে আগামী সপ্তাহে আইডল কর্মযজ্ঞ শেষ হলে নাটক নিয়ে কিছু পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কথা জানিয়েছেন সামিয়া। তিনি বলেন, বাংলাদেশী আইডল শেষ হওয়ার পর নাটক পরিচালনার ইচ্ছা আছে। আশা করছি নির্মাণে খুব একটা খারাপ করবো না।

টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Note: All are Not copyrighted , Some post are collected from internet. || বিঃদ্রঃ সকল পোস্ট বিনোদন প্লাসের নিজস্ব লেখা নয়। কিছু ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত ।