ভালবাসা মানুষকে শুধু অন্ধই নয়, তার মনকে করে দেয় বিক্ষিপ্ত। কমপক্ষে ছয় মাস হতে চললো প্রেমে পড়েছেন এমন মানুষের ওপর গবেষণা চালিয়ে এ তথ্য দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। হেন্ক ভ্যান স্টিনবার্গেনের অধীনে লেইডেন বিশ্ববিদ্যালয় এবং মেরিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক এ বিষয়ে গবেষণা চালান।

ছেলে-মেয়েদের ওপর কয়েকটি পরীক্ষা চালান বিজ্ঞানীরা। এদেরকে প্রেমের গান শোনানো হয় যা চেতনায় প্রেম-ভালবাসার অনুভূতি জাগিয়ে তোলে। তারা দেখেছেন, যারা যতো বেশি গভীর ভালবাসায় ডুবে রয়েছেন, তারা ততো বেশি অমনোযোগী। যার ভালবাসা যতো গভীর, সে পরীক্ষার অপ্রয়োজনীয় তথ্যগুলো আলাদা করতে ততো বেশি অপারগ। আর এক্ষেত্রে ছেলে-মেয়ে উভয়ের একই অবস্থা।love

গবেষকরা আরো বলেন, নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা (একে কগনিটিভ কন্ট্রোল বলে) এবং সম্পর্কে ফাটল ধরায় এমন আচরণ দমনের সামর্থ্য দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক গড়তে সাহায্য করে। তবে প্রেম করছেন এমন মানুষের পক্ষে কগনিটিভ উৎসগুলোর প্রতি মনোযোগ রাখা খুব কঠিন কাজ। কারণ এ পরিস্থিতিতে মানুষ তার কগনিটিভ কন্ট্রোলকে ব্যস্ত রাখে প্রেমিক বা প্রেমিকাকে ঘিরে।

তাই দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কে দীর্ঘমেয়াদি ভালবাসার অনুভূতিকে সচল রাখতে কগনিটিভ কন্ট্রোল খুব কঠিন ব্যাপার। তাই ভালবাসার অনুভূতি এবং কগনিটিভ কন্ট্রোলের মধ্যে যোগাযোগ গবেষণার নতুন ক্ষেত্র হতে পারে বলে মনে করেন স্টিনবার্গেন। তবে এ দুয়ের সম্পর্কের কারণ এখনো বের করা যায়নি বলেও জানান তিনি।

সবশেষে তিনি জানান, যার কগনিটিভ কন্ট্রোল কম তার ভালবাসার গভীরতা বেশি, আবার এর নিয়ন্ত্রণ যার বেশি রয়েছে, তার প্রেমের অনুভূতিও অনেক কম। সূত্র: হিন্দুস্থান টাইমস

টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Note: All are Not copyrighted , Some post are collected from internet. || বিঃদ্রঃ সকল পোস্ট বিনোদন প্লাসের নিজস্ব লেখা নয়। কিছু ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত ।