পেঁপের আরেক নাম পাওয়ার ফ্রুট। কারণ,এতে রয়েছে অনেক রোগের নিরাময়ক্ষমতা। এর পেপেইন নামের
উপাদান আমিষকে হজম করে সহজেই এবং পরিপাকতন্ত্রকে পরিষ্কার করে। ওজন কমাতেও বেশ সহায়ক।পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন ‘সি’,ভিটামিন ‘ই’, ক্যারোটিনয়েড, লুটিনও লাইকোপিন আছে পেঁপেতে।১৫০ গ্রামের ছোট

papaya

একটি পেঁপের ফালিতে তিন হাজার মাইক্রোগ্রাম লাইকোপিন থাকে। গবেষকদের মতে,লাইকোপিন ক্যানসার প্রতিরোধী।পুষ্টি বিবেচনায় পেঁপে অনেক ফলের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে। কমলার চেয়ে পেঁপেতে ৩৩ শতাংশ বেশি ভিটামিন ‘সি’ এবং ৫০ শতাংশ বেশি পটাশিয়াম রয়েছে।আপেলের চেয়ে পেঁপেতে ১৩ গুণ বেশি  ভিটামিন ‘সি’ এবং দ্বিগুণ পরিমাণ বেশি পটাশিয়াম বিদ্যমান।আপেল ও কমলার চেয়ে পেঁপেতে ভিটামিন ‘ই’-এর পরিমাণও  চার গুণ বেশি।১০০ গ্রাম পাকা পেঁপেতে পানি ৯০গ্রাম, প্রোটিন শূন্য দশমিক ৫ গ্রাম, ফ্যাট শূন্য দশমিক ১গ্রাম,ক্যালসিয়াম ২৪ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ২০ মিলিগ্রাম, পটাশিয়াম ২৩০ মিলিগ্রাম এবং বিটাক্যারোটিন, রিবোফ্লাবিন, নিয়াসিন, থায়ামিন, সোডিয়াম পভৃতি উপাদান উল্লেখযোগ্য পরিমাণে রয়েছে। পাকা পেঁপে কোষ্ঠকাঠিন্য সারাতে সাহায্য করে। প্রচুর আঁশ ও ক্যারোটিন থাকায় এটি অন্ত্রের ক্যানসারের ঝুঁকিও কমায়। পেঁপে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকিকমায়। প্রতিদিন দুই কাপ পেঁপে খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।

টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Note: All are Not copyrighted , Some post are collected from internet. || বিঃদ্রঃ সকল পোস্ট বিনোদন প্লাসের নিজস্ব লেখা নয়। কিছু ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত ।