image_1428

সাধারনত আপনার পরবর্তী প্রিয়ডের ১৪ দিন আগে আপনার গর্ভধারনের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। এই দিনে শরীরের তাপমাত্রা সবচেয়ে বেশি থাকে ডিম্বপাতের কারনে। প্রতিদিন সকালে বিছানা থেকে উঠার আগে আপনি থার্মোমিটার দিয়ে তাপমাত্রা দেখেও বুঝতে পারেন আপনার গর্ভধারনের সম্ভাবনা কেমন।

প্রতি বীর্জপাতে একজন পুরুষ ২০০ মিলিয়ন থেকে ৫০০ মিলিয়ন শুক্রানু নির্গত করে থাকেন কিন্তু এদের মধ্যে মাত্র ১ টি শুক্রাণূ ডিম্বানুর সাথে মিলিত হতে পারে। শুক্রাণূর পরিমান কম থাকলে বা শুক্রানু পরিপক্ক না হলে গর্ভধারনে সমস্যা হতে পারে। ল্যাবরেটরিতে পরিক্ষার মাধ্যমে শুক্রাণূর পরিমান ও গুনগত মান নির্ধারণ সম্ভব।

নিষিক্তহবার ৫ দিনের দিকে ব্লাস্টোসিস্ট তৈরি হয়। এটা ভ্রুণ এর প্রাথমিক পর্যায় যা দুই প্রকার কোষ এর সমন্বয়ে তৈরি এবং এদের মাঝে থাকে তরল পূর্ণ একটি গহ্বর। বাহিরের দিকের কোষ গুলোকে বলে  ট্রফেক্টোডার্ম যা পরে প্লাসেন্টা বা ভ্রুণ থলিতে পরিনত হয়। ভেতরের দিকের কোষ গুলো পরে ভ্রুণ এ পরিনত হয়।

ডিম্বানু নিষিক্ত হবার সাথে সাথেই হরমোনের প্রভাবে স্তন এর স্পর্শকাতরতা বেড়ে যায় কারন আপনার শরীর প্রথম প্রিয়ড মিস হবার সাথে সাথেই ধরে নেয় যে আপনি শীঘ্রই স্তন পান করাতে যাচ্ছেন।

গর্ভাবস্থায় যেকোন ঔষধ খুবই সাবধানতার সাথে গ্রহন করতে হবে। সব ঔষধই যে শিশুর শরীরে প্রবাহিত হবে তা নয়, তবে দীর্ঘমেয়াদী কোন সমস্যার কারনে কোন ঔষধ সেবন করে যেতে হলে আপনার গাইনেকলজিস্ট এর সাথে পরামর্শ করে তবেই গ্রহন করতে হবে।

টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Note: All are Not copyrighted , Some post are collected from internet. || বিঃদ্রঃ সকল পোস্ট বিনোদন প্লাসের নিজস্ব লেখা নয়। কিছু ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত ।