How-to-Look-Beauty-With-Contact-Lenses-Blueইতালীয় আবিষ্কারক, শিল্পী এবং বিজ্ঞানী লিওনার্দো দা ভিঞ্চি ১৫০৮ সালে কন্টাক্ট লেন্সের আইডিয়া দিয়েছিলেন এবং স্কেচ এঁকেছিলেন। যদিও এরপর ৩০০ বছরের বেশি সময় পর ১৮৮৭ সালে জার্মানের এফ.ই.মুলার প্রথম কন্টাক্ট লেন্স তৈরি করে বিশ্বে এর পরিচিতি দেন। কন্টাক্ট লেন্স একটা স্বচ্ছ কাঁচের মতো যা আমাদের চোখের কর্নিয়াকে আবৃত করে রাখে। কন্টাক্ট লেন্স কার্ভ শেপের হতে পারে আবার ফ্ল্যাট শেপেরও।

অনেক কারনেই চোখে লেন্স পরা যায়। অনেকে চশমা পরা পছন্দ করেন না তাই এর বদলে লেন্স ব্যবহার করেন,অনেকে পরেন চোখের দৃষ্টির স্বচ্ছতা আনতে ,আবার অনেকে এমনি ফ্যাশনের জন্যও লেন্স ব্যবহার করেন। লেন্স ব্যবহারে চোখের সাথে সাথে পুরো চেহারাতেই একটা পরিবর্তন আসে। চোখে লেন্সের ব্যাবহার আগের তুলনায় এখন অনেকটাই বেড়েছে। তাই চাহিদার উপর ভিত্তি করে নানান রঙের পাওয়ারসহ এবং পাওয়ার ছাড়া কন্টাক্ট লেন্স বিভিন্ন অপটিক্যালের দোকানে পাওয়া যায়।

আপনার চেহারায় একটা গর্জিয়াস ভাব আনতে আপনি পরতে পারেন ন্যাচারাল কালার অ্যাকুয়া কন্টাক্ট লেন্স । এটা আপনার উজ্জ্বল ও কনফিডেন্ট লুককে বের করে আনবে। একটা সুন্দর স্টাইলিশ ড্রেসের সাথে পরতে পারেন হালকা নীল রঙের কন্টাক্ট লেন্স যা আপনার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যটাই ফুটিয়ে তুলবে। আবার আপনি যদি সবার মধ্যে একজন হয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চান তাহলে পরতে পারেন কেটস আই কন্টাক্ট লেন্স । আর আপনার মধ্যে আভিজাত্য ভাব এনে দিতে পারে ধূসর রঙা কন্টাক্ট লেন্স ।

কন্টাক্ট ল্যান্সের সাথে সাধারণত একটু ডার্ক আইশ্যাডোই ভালো লাগে। আপনার লেন্স টি যদি হয় ন্যাচারাল কালারের তাহলে আইশ্যাডোর রঙটি আরেকটু বেশি গাড় করুন। এটা হতে পারে গাড় সোনালী রঙের। যদি আপনি এশ কালারের কন্টাক্ট লেন্স পরেন তাহলে আইশ্যাডো যেন হয় স্মোকি টাইপ বা গাড় কালো রঙের। তাহলে আপনার চোখের সাজ আর চোখের লেন্স দুটিই প্রশংসিত হবে। কেটস আই কন্টাক্ট লেন্সের সাথে সামঞ্জস্য রেখে আপনি একটু হালকা রঙের কোন আইশ্যাডো চোখে দিতে পারেন।

কন্টাক্ট লেন্স সাধারণত চশমার চেয়ে বেশি পরিষ্কার ও স্বচ্ছ দৃষ্টি দিবে। কন্টাক্ট লেন্সে চশমার মতো বৃষ্টি ও কুয়াশায় বাস্প বা পানি জমে না। কন্টাক্ট লেন্স আপনাকে আপনার চটপটে চলাফেরায় পুর্ন স্বাধীনতা দিবে। সফট কন্টাক্ট লেন্স ওজনে ভাড়ি না আর যেহেতু আলাদা কোন ফ্রেম থাকেনা তাই এটা আপনার নাক থেকে খসে যাওয়ারও কোন চিন্তা নেই। যারা খেলাধুলা করে, নাচে তাদের জন্যও লেন্স খুব কার্যকর।বাচ্চারা চশমা দেখলেই ধরতে চায় এমনকি চোখেও দেয় কিন্তু লেন্সের ক্ষেত্রে এই ধরনের ঝক্কি পোহাতে হয়না।

লেন্স ব্যবহারে যেমন সুবিধা আছে তেমনি কিছু অসুবিধাও আছে।
লেন্স সবসময়ই পরিষ্কার করে রাখতে হয়। লেন্সে ধুলাবালি জমলে চোখে ইনফেকশনের ভয় থাকে। চশমা হয়ত ভুল করে চোখে রেখেই ঘুমিয়ে পরতে পারেন কিন্তু লেন্স পরে ঘুমালে সমস্যা হতে পারে এমনকি কিছুক্ষনের জন্যও লেন্স পরা অবস্থায় চোখ বন্ধ করে বিশ্রাম নেয়া উচিত না। লেন্স পরার আগে আপনার হাত ধুয়ে এবং মুছে নিবেন। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী শুধুমাত্র লেন্স ক্লিনার বা লেন্স ড্রপ ব্যবহার করবেন, দোকান থেকে যেটা দেয় তা ব্যবহার না করাই ভালো। আপনার লেন্স রাখার কেস টাও পরিষ্কার রাখবেন। ১২ ঘণ্টার বেশি একটানা কন্টাক্ট লেন্স ব্যাবহার না করাই ভালো। লোশন বা ক্রিম যেন লেন্সে না লাগে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। বাথটাবে গোসল করার সময় বা সাঁতার কাটার সময় লেন্স ব্যবহার করবেন না। ডাক্তার যতদিন সময় নির্ধারণ করে দিয়েছেন একটি লেন্সের জন্য এর বেশি সময় লেন্স ব্যবহার করা উচিত না, নতুন একটি কেনার আগে আবার ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Note: All are Not copyrighted , Some post are collected from internet. || বিঃদ্রঃ সকল পোস্ট বিনোদন প্লাসের নিজস্ব লেখা নয়। কিছু ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত ।