অক্সিডেশনের কারণে আমাদের শরীরে প্রতিনিয়ত ক্ষয় হয়, বয়সের পরিবর্তন আসে। ভিটামিন সি’তে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। যা কোষাবরণকে মজবুত করে। এতে শরীর ও ত্বক রক্ষা পায়।

শয্যাশায়ী রোগী, পক্ষাঘাতগ্রস্থ ও বেড সোরের (শয্যা জনিত কারণে পিঠে ঘাঁ) রোগীর জন্য দরকার ভিটামিন সি। অ্যাসকরবিক এসিডের অপর নাম ভিটামিন সি। ভিটামিন সি শরীরে বয়সের ছাপ পড়াকে পিছিয়ে রেখে দীর্ঘদিন যৌবন ধরে রাখতে সাহায্য করে।

ক্যান্সার রোগাক্রান্তদের জন্য ভিটামিন সি উপকারী। ভিটামিন সি চুলকে শুষ্কতা ও ভাঙ্গার হাত থেকে রক্ষা করে। রোদে ঝলসানো ত্বক ও শরীর ভিটামিন সি পেলে তাড়াতাড়ি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। রোগ ব্যাতীত সুস্থ ও সুন্দর ত্বকের জন্য ভিটামিন সি প্রয়োজন। ভিটামিন সি কোলাজেন তৈরি করে। সুন্দর ত্বকের জন্য ভিটামিন সি প্রয়োজন।

প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়া ব্যক্তিরা তিন সপ্তাহ নিয়মিত ভিটামিন সি খেলে শ্বাসতন্ত্রের অসুখ হওয়ার আশঙ্কা কম থাকে। ভিটামিন সি শারীরিক ও মানসিক পীড়নের উপশম ঘটায়। ভিটামিন সি আয়রণকে ফেরাস অবস্থায় রাখে ফলে শরীর সহজে তা গ্রহণ করতে পারে। অ্যামাইনো এসিড মেটাবলিজমেও ভিটামিন সি দরকার। ভিটামিন সি ভাইরাল ইনফেকশনের সাথে মোকাবিলা করতে পারে। সর্দি কাশি ও ঠান্ডাতে ভিটামিন সি ভালো কাজ দেয়।

ভিটামিন সি’র উৎস:

প্রধানত টক ফল ও সবুজ শাকসবজিতে রয়েছে ভিটামিন সি। পালংশাক, পেয়ারা, কমলালেবু, আমলকী, লেবু, আম, পেঁপেতে ভিটামিন সি রয়েছে। অঙ্কুরিত ছোলা, শিম বীজ ও ডালেও পাওয়া যায়।

তাজা সবজি, তাজা ফলে যতটা ভিটামিন সি আছে বাসি ফল ও সবজিতে নেই। তাই তাজা শাকসবজি ও মৌসুমি ফল দৈনিক নিয়ম করে খাবেন। ভিটামিন সি শরীরে সংরক্ষিত থাকে না বিধায় দৈনিক এই ভিটামিনের জোগান দিতে হয়।

টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Note: All are Not copyrighted , Some post are collected from internet. || বিঃদ্রঃ সকল পোস্ট বিনোদন প্লাসের নিজস্ব লেখা নয়। কিছু ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত ।